এর আগে ভোটে যে ঘটনা ঘটেছে তা যাতে আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই কারণে বাংলাকে নিরাপত্তায় মুড়ে রাখতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। সেই কারণে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনীই (central force) নয়, রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে মোতায়েন করা হবে ১০ হাজারেরও বেশি পুলিশ, এমনটাই জানাল নির্বাচন কমিশন।
আগামী ১৯ এপ্রিল রয়েছে প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন। প্রথম দফায় ভোট রয়েছে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে। কমিশন সূত্রে খবর, ভোটের তিনদিন আগে উত্তরবঙ্গে পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর (central force) সঙ্গে থাকবে পুলিশও। ১০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হবে যার মধ্যে ৪ হাজার সশস্ত্র পুলিশ থাকবে।
এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট ১৭৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (central force) রয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, প্রথম দফা ভোটের আগে আরও প্রায় ১০০ কোম্পানি বাহিনী আসবে রাজ্যে। জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ারে ৬৩ কোম্পানি, কোচবিহারে ১১২ কোম্পানি ও জলপাইগুড়িতে ৭৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
গত সপ্তাহে বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী (central force) মোতায়েন নিয়ে বৈঠক করেন রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসার আনন্দ কুমার। পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা ও ওই তিন জেলার পুলিশ সুপার উপস্থিত ছিলেন এই বৈঠকে। প্রথম দফার ভোটে প্রায় ৪০ শতাংশ বুথে পুলিশ মোতায়েন করা নিয়ে আলোচনাও হয় এই বৈঠকে।
প্রথম দফার ভোটে যে সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী (central force) মোতায়েনের কথা হয়েছে, তা আদৌ যথেষ্ট কী না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। ওই বাহিনী দিয়ে বুথ সামলানো, এলাকায় টহলদারি, কুইক রেসপন্স টিম সামলানো সম্ভব নয় বলেই মনে করছে কমিশন। আর সেই কারণেই এই তিন আসনের জন্য ১০ হাজার রাজ্য পুলিশ মোতায়েনের থাকবে বলে জানানো হল। তবে ওই পুলিশকর্মীদের কোথায় কোথায় কীভাবে কাজে লাগানো হবে, তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি।





