OMR Sheets of 2017 TET were Destroyed by Manik Bhattacharya Verbal Instruction: প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। এর আগে ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আর এবার ২০১৭ সালের টেটে নিয়োগ নিয়েও উঠল প্রশ্ন। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সিদ্ধান্ত ছাড়াই শুধুমাত্র পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের মুখের কথাতেই নষ্ট করা হয়েছিল ওএমআর শিট, এমনটাই আদালতে জানাল পর্ষদ (OMR Sheets of 2017 TET were Destroyed by Manik Bhattacharya Verbal Instruction)।
বর্তমানে টেট সংক্রান্ত সমস্ত মামলা চলছে হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। এর আগে ২০১৪ ও ২০১৬ সালের ওএমআর শিট নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছিল। আর এবার অভিযোগ উঠল ২০১৭ সালের টেটের ওএমআর শিট নষ্ট নিয়েও (OMR Sheets of 2017 TET were Destroyed by Manik Bhattacharya Verbal Instruction)। টিনা মুখোপাধ্যায় নামে এক প্রার্থীর করা মামলায় এমন ঘটনা সামনে আসে।
ওই প্রার্থী আদালতে মামলা করেছিলেন। তাঁর দাবী, তিনি ২০১৭ সালে প্রাথমিক টেট পরীক্ষা দেন। তবে উত্তীর্ণ হতে পারেন নি তিনি। এরপর পর্ষদের কাছে নিজের ওএমআর শিট দেখতে চান তিনি। কিন্তু অভিযোগ, তাঁর আসল ওএমআর শিট না দেখিয়ে পর্ষদ তাঁকে ওএমআর শিটের ফটোকপি দেখায়। ওই মামলাকারীর দাবী, সেই ওএমআর শিট তাঁর নয়।
এরপরই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। সেই মামলারই শুনানি ছিল গতকাল, শুক্রবার বিচারপতি সিনহার এজলাসে। এদিন পর্ষদের বক্তব্য শোনেন বিচারপতি। শিক্ষা পর্ষদ থেকে জানানো হয়, তৎকালীন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের মুখের কথাতেই পরীক্ষার ১ বছর পর ওএমআর শিট নষ্ট করে ফেলা হয়েছিল (OMR Sheets of 2017 TET were Destroyed by Manik Bhattacharya Verbal Instruction)। ডিজিটাইজড কপি রেখে নষ্ট করে ফেলা হয় ওএমআর শিট। যে রেজলিউশনের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেই রেজলিউশন প্রতিলিপিও আদালতে জমা করা হয়েছে বলে জানায় পর্ষদ।
বিচারপতি সিনহা প্রশ্ন করেন, “চাকরির পরীক্ষার নথি এভাবে মুখের কথায় নষ্ট করা যায় কী? ডিজিটাল ভাবে সংরক্ষণ করা হয় নি”? নিয়ম অনুযায়ী, ওএমআর শিট নষ্ট করা হলেও ডিজিটাইজড কপি রেখে দিতে হয় (OMR Sheets of 2017 TET were Destroyed by Manik Bhattacharya Verbal Instruction)। এদিন শুনানিতে বিচারপতি সিনহা নির্দেশ দেন, পর্ষদকে ২০১৭ সালের টেটের ওএমআর শিটের ডিজিটাইজড কপি আদালতে পেশ করতে হবে। আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে তা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৪ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।





