করোনা রোগীদের লুকিয়ে রাখছে পঞ্চায়েতে গ্রাম সদস্যরা, আবারও বোমা ফাটালেন মহুয়া মৈত্র।

তাঁর ফেসবুকে লাইভ হওয়া বা পোস্ট করা মানেই কৃষ্ণনগরের সমস্ত পঞ্চায়েতের সদস্যদের বুকে এখন ভয় ধরে। শনিবারও এর অন্যথা হল না। কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে এখন যমের মতো ভয় পাচ্ছেন ৮২ টি পঞ্চায়েতের সদস্যরা। কখন কী নিয়ে, কার বিরুদ্ধে মুখ খুলবেন সাংসদ সেই নিয়ে আশঙ্কার শেষ নেই তাঁদের। শনিবার যেমন সাংসদ অভিযোগ করেছেন, জেনে বুঝে করোনা রোগীদের লুকিয়ে রাখছেন পঞ্চায়েতের সদস্যরা।

কী পোস্ট করেছিলেন মহুয়া যা নিয়ে এত বিতর্ক তৈরি হয়েছে?

মহুয়া লিখেছেন, তেহট্ট ব্লকের বেতাই ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে এক ভিনরাজ্য ফেরত শ্রমিক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ভিনরাজ্য থেকে ফিরে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে যাওয়ার পরিবর্তে লুকিয়ে বাড়ি চলে গিয়েছিলেন তিনি। পঞ্চায়েত সদস্য ও স্থানীয়রা তা জানলেও প্রশাসনকে জানাননি। ফলে ওই ব্যক্তির করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পর গোটা এলাকাকে কোয়ারেন্টাইন করতে হয়েছে।

দিন কয়েক আগেই পঞ্চায়েতের কাজ করার পদ্ধতি নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন মহুয়া। তিনি বলেছিলেন ই-টেন্ডার ডাকার ভয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশি কাজ করে না পঞ্চায়েতগুলি। যেখানে তারা সরকার থেকে প্রায় এক বছরে এক কোটি টাকা পায়। এই এক কোটি টাকা তারা যদি সারা বছর খরচ করত ঠিক করে তাহলে কোন গ্রামে একটা কাঁচা রাস্তা থাকতো না বলে জানিয়েছেন মহুয়া।

অপরদিকে মহুয়ার এই প্রতিবাদী রূপ দেখে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তৃণমূলের একাংশ। দলের একটা অংশের মতে পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে মুখ খুলে দলের অস্বস্তি বাড়াচ্ছেন তিনি আবার অন্যদিকে আর একদল বলছে বহুজাতিক সংস্থায় উঁচু পদে কাজ করা বিদেশি এখনো ভারতীয় রাজনীতির সংকীর্ণ ঘাত-প্রতিঘাত গুলো বুঝে উঠতে পারেননি।

RELATED Articles

Leave a Comment