সীমান্তে বিতর্ক এখনও থামেনি ভারত ও চীনের মধ্যে। তবু এর মধ্যেই আগামী ২২শে জুন রাশিয়ার ডাকে বসছে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। সেখানে অংশগ্রহণ করবে ভারত, চীন ও রাশিয়া। এই আলোচনা সভার মূল বিষয় হলো করোনা সংক্রমণ মোকাবিলা ও উদ্যোক্তা হল মস্কো।
কেন এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক?
জানা গিয়েছে বিশ্বজুড়ে করোনা মোকাবিলায় পারস্পারিক সহযোগিতার ভিত্তিতে এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে এই বৈঠক হবে এবং এতে যোগদান করবেন তিনটি দেশের বিদেশ মন্ত্রীরা। আলোচনার মূল বিষয়বস্তু কি হবে সেটা এখনো ঠিক করা হয়নি, সেই বিষয়েই কাজ চলছে।
যদিও ওয়াকিবহাল মহল জানিয়েছে যে এই বৈঠকে চীন ও ভারতের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকলেও এই দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক যে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে তা নিয়ে কোনও বিষয় আলোচনার মধ্যে উপস্থিত হবে না। এই বৈঠকের সঙ্গে ভারত ও চীন বিবাদের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে ভারত ও চীনের বিবাদ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম মুখোমুখি আলোচনায় বসতে চলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর ও চীনের বিদেশমন্ত্রী ওয়্যাং ইয়ি।
দুই নেতাই এর আগে গত ১৩ মে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন-এ অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রনেতাদের অনলাইন বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। তবে তখনও সীমান্তে ভারত-চীন সংঘর্ষের কথা বিস্তারিত ভাবে জানা যায়নি। এই খবর সর্বপ্রথম সামনে আসে গত মাসে। গত ১০ মে পূর্ব লাদাখ সীমান্তের আসল নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) অতিক্রম করে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে চীনা বাহিনী।
যদিও এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও প্রচার করেনি ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।
যদিও ভারত ও চীনের বিবাদ নিয়ে রাশিয়া এর আগেই আলোচনার মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখার সম্ভাবনার বিষয়ে আশা প্রকাশ করেছিল কিন্তু একথা মনে রাখা দরকার যে ভারত এর আগেই স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে তারা এই সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!