আজ আলিপুর আদালতে (Alipur Court) পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) মামলার শুনানি রয়েছে। এদিন আদালত চত্বরে পৌঁছেই মেজাজ হারান রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। এদিন আদালতে ঢোকার পথেই পার্থকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার (recruitment scam) বিষয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। সেই প্রশ্ন শুনেই মেজাজ হারান তিনি। বলে বসেন, “চুপ করে থাকুন”।
প্রসঙ্গত, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দু’টি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় ৫০ কোটি টাকা ও সোনার গয়না। তাকেও গ্রেফতার করা হয়। এরপর এই নিয়োগ দুর্নীতির ঘটনায় একে একে গ্রেফতার হয়েছেন শান্তিপ্রসাদ সিনহা, অশোক সাহ, মানিক ভট্টাচার্য, কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্য ও শিক্ষা দফতরের আরও অনেকে।
আগের শুনানিতে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। অর্থাৎ ওইদিন তাঁকে আদালতে তোলার কথা ছিল। একই সঙ্গে কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্যদেরও আদালতে পেশ করার কথা ছিল। তবে ঘটনাচক্রে ওইদিন সকালে পার্থ-কল্যাণময়-সুবীরেশের ফাইল পাঠিয়ে দেওয়া হয় ভেকেশান কোর্টে। অর্থাৎ জেলের তরফে মনে করা হয়েছিল যে ভারচুয়ালি শুনানি হবে।
তবে ভেকেশন কোর্টে ভারচুয়াল শুনানির ব্যবস্থা নেই। এর জেরে সেদিন শুনানি হয়নি। সশরীরে হাজির থাকার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ভুল বোঝাবুঝির জেরে বেশ ক্ষুব্ধ হয় আদালত। আজ, ৩১শে অক্টোবর শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়। এই ঘটনায় বেশ অসন্তুষ্ট হন পার্থর আইনজীবীও।
তবে এদিন আদালতে পৌঁছতেই নানান প্রশ্ন আসতে থাকে পার্থর দিকে। এর আগেও সাংবাদিকদের উদ্দেশে এক একটা কথা বলেছেন তিনি। কখনও বলেছেন যে তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে, তো আবার কখনও বলেছেন যে খুব তাড়াতাড়ি আসল দোষী সামনে আসবে। এদিন আদালতে ঢোকার পথে পার্থর উদ্দেশে প্রশ্ন ছোঁড়া হয়, “আপনার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ কী সত্যি”? সেই প্রশ্ন শুনেই মেজাজ হারিয়ে পার্থ বলেন, “চুপ করে থাকুন”।





