যে দেশে করোনার উৎপত্তি সেই দেশেই এখন আপাতভাবে নিয়ন্ত্রিত মারণ ভাইরাসটি। কিন্তু পাশের দেশ ভারতে লেগেছে মৃত্যু-মিছিল।
দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ। কিন্তু আঁতুড়ঘর চিনেই এখন নিয়ন্ত্রিত করোনা। কোন জাদুতে সম্ভব? জিনপিংয়ের দেশের বাসিন্দারা জানাচ্ছেন করোনার সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য প্রতিদিন গরুর দুধ পান করছেন।
তাঁরা বলছেন গরুর দুধ শরীরে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়ায়। দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। গতবছর মহামারী চলাকালীন সময়ও চীনের সংসদে এই দুধের বিষয় কথা হয়েছিল। সরকার থেকে নাগরিকদের বলা হয়েছিল দুধ খেতে। প্রতিদিন সবাইকে ৩০০ গ্রাম দুধ খেতে বলা হয়েছিল l
তবে শুধু দুধ নয় খেতে হবে ডিমও। সাংহাই হাসপাতালের সংক্রামক রোগ বিভাগের বিখ্যাত ডাক্তার ঝাং ওয়েনহং সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে চীনের পিতামাতাদের একটি বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন। চিকিৎসক ওয়েনহং বলেছিলেন, ‘বাবা-মাকে প্রতিদিন সকালে শিশুদের দুধ এবং ডিম খাওয়ানো শুরু করা উচিত।
শি জিনপিংয়ের সরকার ২০২৫ সালের মধ্যে ৪৫০ লক্ষ টন দুধ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যা এখন পর্যন্ত উৎপাদনের চেয়ে ৩০ গুণ বেশি। চীনে গরুর যত্নের ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। তবে চীনের বহু প্রাণী কল্যাণ দল বেশ কয়েকটি গবেষণার বরাত দিয়ে এ নিয়ে আপত্তি জানাচ্ছে। গরুর দুধ থেকে ক্যান্সার, হার্টের সমস্যার উৎপত্তিও হতে পারে বলে মনে করছেন তারা। অর্থাৎ একটা রোগের নিরাময় করতে গিয়ে অন্য রোগ দানা বাঁধতে পারে শরীরে।





