তিনি এলাকার তৃণমূল নেতা। সেই কারণে মুখ খুলতে পারছিল না নাবালিকা ও তার পরিবার। শেষ পর্যন্ত আর যৌ’ন নির্যাতন সহ্য না করতে পেরে নিজেই অভিযুক্তকে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করল নাবালিকা। কারণ দিনের পর দিন যৌ’ন অত্যাচারের জেরে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ছিল সে।
শেষ পর্যন্ত চাইল্ড লাইনের নম্বর জোগাড় করে নাবালিকা। এরপর সেখানে ফোন করে সমস্ত অভিযোগ জানায় নাবালিকা। তার অভিযোগ শুনে স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করা হয় চাইল্ড লাইনের তরফে। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম সুব্রত সরকার। চাইল্ড লাইনের তৎপরতায় বাসন্তী থানার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, নির্যাতিতার বয়স ১৪। তার বাবা ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। আর মা কলকাতায় কাজ করেন। নাবালিকা ও তার ভাইয়ের দেখাশোনা করার নামে প্রায়ই নাবালিকার উপর যৌ’ন নির্যাতন চালাত ওই তৃণমূল নেতা, এমনটাই অভিযোগ। নির্যাতিতা জানায় যে সুব্রতবাবু মাঝেমধ্যেই তাদের বাড়ি আসত। পাড়ার লোককে অভিযুক্ত জানিয়েছিল যে সে তাদের পরিবারের দেখাশোনা করে। সেই কারণে স্থানীয়রা কখনও সন্দেহ করেননি। আর সেই সুযোগেই দীর্ঘদিন ধরে নাবালিকার উপর যৌ’ন অত্যাচার চালায় তৃণমূল নেতা। কিন্তু ভয়ে সে কাউকে কিছু বলতে পারে নি। হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ রেখেছিল তৃণমূল নেতা।
নাবালিকা জানায় যে এই যৌ’ন নির্যাতন আর সহ্য করতে না পেরে সে তার মা-কে সবটা জানায়। কিন্তু অভিযুক্ত এলাকার তৃণমূল নেতা হওয়ার কারণে ভয়ে মুখ খুলতে পারেনি নাবালিকার পরিবার। এদিকে অত্যাচারও দিনের পর দিন বাড়তে থাকে। শেষে নির্যাতিতা নিজেই চাইল্ড লাইনের নম্বর জোগাড় করে সেখানে ফোন করে সবটা জানায়।
গত বৃহষ্পতিবার রাতে চাইল্ড লাইনের তরফে যোগাযোগ করা হয় বাসন্তী থানায়। গতকাল, শুক্রবার সকালে তৃণমূল নেতা অমৃত সরকারের ভাই সুব্রত সরকারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। স্থানীয়রা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছে নাবালিকার পরিবার ও স্থানীয়রা। অন্যদিকে, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার পরিবারের দাবী, সুব্রতবাবুকে ইচ্ছাকৃতভাবেই ফাঁসানো হয়েছে। বাসন্তী থানার পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।





“উত্তম কুমারের ছেলের সঙ্গে দেবলীনার বিয়ে হয়েছে” রাসবিহারীর দলীয় প্রার্থী দেবাশিস কুমারের মেয়েকে নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভ্রান্তিকর মন্তব্যে শোরগোল!