রক্ষকই যখন ভক্ষক হয়ে ওঠে, তখন কার উপর সত্যিই ভরসা করা যায়, তা নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠল সাম্প্রতিক এক ঘটনায়। পারিবারিক হিংসার কারণে আইনি সাহায্য নিতে থানায় গিয়েছিলেন গৃহবধূ। কিন্তু সাহায্য তো দূর, উল্টে পুলিশকর্মীর থেকে কুপ্রস্তাব পেলেন মহিলা। গৃহবধূর অভিযোগের ভিত্তিতেই সাসপেন্ড করা হল হরিদেবপুর থানার এসআই আইনুল হককে। বিভাগীয় তদন্ত চলছে ওই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে।
জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ওই গৃহবধূ গার্হস্থ্য হিংসার শিকার। কিছুদিন আগে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই মহিলার বিস্তারিত অভিযোগ শোনা হয়। মোবাইল নম্বরও নেওয়া হয়। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেন হরিদেবপুর থানার এসআই আইনুল হক।
কিন্তু মহিলার দাবী, গত সোমবার রাতে হরিদেবপুর থানার এসআই আইনুল হক ওই মহিলার বাড়িতে যান। তাঁকে কুপ্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগ করেন মহিলা। সবাধ্য হয়ে ১০০ ডায়াল করে লালবাজারে ফোন করেন বধূ। সেই অভিযোগ পাওয়ামাত্র ওই এসআইয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়। আপাতত হরিদেবপুর থানার অভিযুক্ত এসআই আইনুল হককে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই পুলিশমহলে বেশ অস্বস্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা রয়েছেন, তারাই যদি এমন কুপ্রস্তাব দেওয়ার কাজে যুক্ত থাকেন, তাহলে মানুষ আর ভরসা করবে কাকে? সেই প্রশ্নও উঠেছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, এই অভিযোগ যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে হরিদেবপুর থানার এসআইয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, ওই গৃহবধূ একে তো পারিবারিক অশান্তির জেরে জেরবার হয়ে রয়েছেন। আর এর উপর আবার আইনি সাহায্য নিতে গিয়ে কুপ্রস্তাব পাওয়ার ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।





