গরু পাচার নিয়ে রাজ্যে অভিযোগের অন্ত নেই। নানান সময় পাচারের প্ল্যান ভেস্তে দিলেও রোখা যাচ্ছে না এই গরু পাচারের ঘটনা। ফের গরু পাচারের বড় পর্দা ফাঁস করল পুলিশ। ড্রামের ভিতর ঠেসে গরু ঢুকিয়ে তা পাচার করার অভিযোগ উঠল এবার।
গরু পাচার কাণ্ডেই ২০২২ সালে গ্রেফতার করা হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। তবে চলতি বছরের পুজোর আগে জামিন পেয়েছেন তিনি। এবার ফের গরু পাচারের অভিযোগ উঠল জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে। ফাঁকা ড্রামে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল গরুগুলিকে।
জানা গিয়েছে, পুলিশের কাছে আগের থেকেই গরু পাচারের খবর ছিল। সেই অনুযায়ী ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে মোতায়েন ছিল পুলিশ। ফাটা পুকুর টোল প্লাজার কাছে ফাঁদ পেতেছিল পুলিশ। আজ, বুধবার সকালে একটি লরি বিহার থেকে অসমের দিকে যাচ্ছিল। বেশ সন্দেহজনক লাগে পুলিশের ওই লরিটিকে। লরিটি দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
কিন্তু কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না প্রথমের দিকে। কারণ লরিতে ছিল ফাঁকা ড্রাম। দুঁদে পুলিশও ভড়কে যায়। তাদের লিড কী তাহলে ভুল ছিল, এই নিয়েই আলোচনা করছিলেন তারা। আধিকারিকরা প্রশ্ন করছিলেন লরির চালককে। সেই সময় ঘটে এক ঘটনা। আচমকাই একটি ফাঁকা ড্রাম থেকে একটি গরু লাফিয়ে বেরিয়ে আসে। আর এরপরই সামনে আসে বড় রহস্য।
আরও পড়ুনঃ ‘সদ্য বিবাহিত জেলবন্দিরা শারীরিক শান্তি পাচ্ছেন না, তাই সপ্তাহে দু-একদিন যদি…’, বিধানসভায় নয়া প্রস্তাব নওশাদের, শুনে হতভম্ব সকলে
জানা গিয়েছে, ওই লরির নানান ড্রাম থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৩টি গরু। অসমে পাচার করা হচ্ছিল গরুগুলি। জানা গিয়েছে, অমানবিকভাবে ড্রামের মধ্যে ঠেসে ঠেসে ঢোকানো হয়েছিল গরুগুলিকে। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর কারা কারা এই চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছে, তা জানার চেষ্টায় তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।





