বায়ো টয়লেট-চৌকির পর এবার জল! জুনিয়র চিকিৎসকদের জলের গাড়িও আটকাল পুলিশ, খবর পেয়েই ছুটলেন চিকিৎসকরা

পুলিশের বিরুদ্ধে যেন ক্রমেই আন্দোলনের আঁচ বেড়েই চলেছে। একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এর আগে বায়ো টয়লেট-চৌকি আটকেছিল পুলিশ। এবার জুনিয়র চিকিৎসকদের জন্য আসা জলের গাড়িও আটকাল পুলিশ। এই ঘটনায় ফের একবার পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন চিকিৎসকরা।

জুনিয়র চিকিৎসকরা ধর্মতলায় অনশনে বসার পর থেকেই নানান অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। প্রথমে অনশন ম্নক্সের কাছে বায়ো টয়লেট আনতে বাধা দেয় পুলিশ। এরপর গতকাল, সোমবার রাতে চৌকির গাড়ি আটকায় পুলিশ। সেই ঘটনায় বউবাজার থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান চিকিৎসকরা। এরপর নিজেরাই চৌকি কাঁধে করে বয়ে নিয়ে যান অনশন মঞ্চে।

এবার আজ, মঙ্গলবার সকালে বউবাজারের কাছে চিকিৎসকদের জন্য আসা জলের গাড়ি আটকায় পুলিশ, এমনটাই অভিযোগ। প্রথমে ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়। এরপর গাড়ি অন্য রাস্তা দিয়ে এলে সেখানেও গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। এই খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছন চিকিৎসকরা। এরপর মানববন্ধন করে তারাই ওই জলের গাড়ি অনশন মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন।

এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন সিনিয়র চিকিৎসকরা। এমন ঘটনার জেরে পুলিশের বিরুদ্ধে ফের ক্ষোভ উগড়ে দেন সকলে। সকালেই ফের উত্তপ্ত ধর্মতলা চত্বর। এই ঘটনায় এই আন্দোলনরত চিকিৎসক বলেন, “প্রথমে চৌকি, তারপর বায়ো টয়লেট, তারপর জলের গাড়ি আটকানো হল। পুলিশকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলে, ‘কারণ বলতে পারব না।’ এ আবার কী কথা। কারণ না বলতে পারলে, তাহলে আটকানো হচ্ছে কেন”?

চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামীর কথায়, “ইজরায়েলের মতো অবস্থা। মেট্রো চ্যানেলে অনশন মঞ্চে জল না দিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে পুলিশ। মানব বন্ধন করে জলের গাড়ি ঢোকাতে হল। গণতান্ত্রিক দেশে এমন পুলিশ কি হওয়া উচিত”?

আরও পড়ুনঃ থামছে না ঘটনা! ফের সরকারি হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে নিগ্রহ, গালিগালাজের অভিযোগ, কর্মবিরতিতে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীরা

বলে রাখি, আজ, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত জুনিয়র চিকিৎসকদের ডাকে রাজ্যজুড়ে প্রতীকী অনশন করছেন চিকিৎসকরা। এদিন বিকেল ৪টের সময় কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ পর্যন্ত মহামিছিল রয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের। এই মিছিলে নাগরিক সমাজকেও সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।

RELATED Articles