আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে ধর্মতলায় অনশন শুরু করেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাদের এই অনশন নিয়ে প্রথম থেকেই নানান বাধার সৃষ্টি করেছে পুলিশ। তবে দমে যান নি চিকিৎসকরা। এবার জুনিয়র চিকিৎসকদের ডাকা মহামিছিলে অনুমতি দিল না পুলিশ। এবার কী সিদ্ধান্ত নেবেন চিকিৎসকরা?
আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার ন্যায় বিচার ও হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তার দাবী জানিয়ে অনশন শুরু করেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাদের এই অনশনে যোগ দিয়েছেন সিনিয়র চিকিৎসকরাও। এরই মধ্যে গতকাল, সোমবার জুনিয়র চিকিৎসকরা জানান, আজ, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে প্রতীকী অনশন পালন করবেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে এদিন বিকেল ৪টের সময় কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা অনশন মঞ্চ পর্যন্ত মহামিছিল করবেন তারা। কিন্তু সেই মিছিলে অনুমতি দিল না পুলিশ।
পুলিশের তরফে কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে, আজ, মহাপঞ্চমী। রাস্তায় ভিড় বাড়ছে মানুষের। কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলার মাঝে দু’টি পুজো হয়। এই দুটি মণ্ডপেই প্রতি বছর উপচে পড়া ভিড় হয়। এম আবহে যদি মহামিছিল হয়, তাহলে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। আর পুজোর সময় জনস্রোত বেড়েছে। যানজটের সমস্যা থাকেই। এরই মধ্যে মহামিছিল করলে আরও বেশি যানজটের সমস্যা হবে। এই কারণ জানিয়েই জুনিয়র চিকিৎসকদের মহামিছিলের অনুমতি দিল না পুলিশ।
এরপরই কলকাতা পুলিশকে একটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়ে ইমেল করা হয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের তরফে। তারা প্রস্তাব দিয়েছেন কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলার অনশন মঞ্চের পরিবর্তে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সামনে থেকে অর্থাৎ সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ থেকে ভিক্টোরিয়া পর্যন্ত মিছিল করতে চান তারা। এমন প্রস্তাব দিয়েই ফের পুলিশকে ইমেল করেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেই ইমেলের প্রেক্ষিতে পুলিশ কী জবাব দেয়, এখন সেটাই দেখার!
বলে রাখি, ধর্মতলায় জুনিয়র চিকিৎসকরা অনশন শুরু করার পর থেকেই নানান বাধার সৃষ্টি করছে পুলিশ। প্রথমে অনশন মঞ্চের জায়গায় বায়ো টয়লেট বসাতে বাধা দেওয়া হয়। এরপর গতকাল, সোমবার রাতে অনশন মঞ্চে চৌকি, চেয়ার আসতে বাধা দেয় পুলিশ।, সেই ঘটনায় বউবাজার থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান চিকিৎসকরা। এমনকি, আজ, মঙ্গলবার সকালে জুনিয়র চিকিৎসকদের জন্য আসা জলের গাড়িও আটকায় পুলিশ। আর এবার তাদের মহামিছিলের অনুমতিও দিল না পুলিশ।





