স্কুল বদলে গেল বিয়ে বাড়িতে। রাতারাতি স্কুলে (Primary School) এলাহি আয়োজন। বিয়েবাড়ির প্যান্ডেল, আলো, মাইকের গান, যেন বড় কোনো লজ। রবিবার মুর্শিদাবাদ এলাকার একটি স্কুলে বিয়ে বাড়ি ছিল। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের জয়কৃষ্ণপুর -১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (Primary school) স্কুল ক্যাম্পাসের ভিতরই বিয়েবাড়ির আয়োজন করা হয়েছিল।
রবিবার পাড়ার সেই স্কুলে বিয়ে বাড়ি ছিল বলে দাবী করেছেন এলাকার লোকজনেরা। শুধুমাত্র স্কুলে বিয়ে বাড়িতেই থেমে থাকেনা বিষয়টি। একটা বিয়ে বাড়ি হলেই চারদিকে নোংরা কিছুতে পড়ে থাকবেই। রবিবার বিয়েবাড়ির পর সোমবার ছিল স্কুল। স্কুলের একাংশেই পড়ে রয়েছিল আবর্জনা। সোমবার স্কুলচত্বরে পড়ে থাকা বিয়েবাড়ির নোংরা পরিষ্কার করে পড়ুয়াদেরই একাংশ। ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে স্কুলের বাচ্চাদের সে আবর্জনা পরিষ্কার করানোকে নিয়েও। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
অভিযোগ উঠেছে, শিক্ষকদের উপস্থিতিতেই ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের বারান্দা পরিষ্কার করার অভিযানে নামে। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবক থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, এলাকারই এক ব্যক্তির ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে সেই স্কুলের পাশে, তার জেরেই এই ঘটনা।
এ প্রসঙ্গে স্কুলের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুশীল হাঁসদা বলেন, “অনুমতি ওরা নেয়নি। তবে এখানে নাকি ফ্লাড সেন্টার আছে বলে দাবি ওনাদের। আগে থেকেই অনুষ্ঠানও হয়। ফ্লাড সেন্টারের একটা বাড়ি আছে বলে শুনেছি আমিও। তবে আমি ২ মাস এখানে এসেছি। এ সম্পর্কে এত কিছু জানি না।”পড়ুয়াদের দিয়ে স্কুল পরিষ্কারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রধান শিক্ষক বলেন, “গ্রিলের মধ্যে দিয়ে হয়ত দু একটা বোতল ফেলেছে ভিতরে। ওরা বোধহয় সেগুলিই পরিষ্কার করছে।”
তবে প্রধান শিক্ষক দাবি করেছেন, ওই ভবনে ঢোকার জন্য একটি আলাদা গেট আছে। যেখান দিয়েই ভবনে ঢোকা যায়। তার চাবি স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে থাকে না। সুশীলবাবু বলেন, “আমাদের এদিকে স্কুলের সব গেট বন্ধই থাকে। স্কুলে ওরা ঢুকতে পারেনি, ওদিকে যা করার করেছে।”





