শেখ শাহজাহান, জেসিবি-র পর সামনে এসেছিল এলাকার আরও এক ত্রাসের জয়ন্ত সিংয়ের নাম। এলাকায় তৃণমূল নেতা নামেই পরিচিত সে। তাকে আবার অনেকেই ‘জায়েন্ট সিং’ বলে ডাকে। তারই সঙ্গে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের ছবিকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক ছড়ায়। আড়িয়াদহে মা ও ছেলেকে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত এই জয়ন্ত সিং। সেই ঘটনার চারদিনের মাথায় আপাতত পুলিশের জালে মূল অভিযুক্ত। আত্মসমর্পণ করেছে তিনি, এমনটাই খবর।
আড়িয়াদহে মা ও ছেলেকে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় নাম জড়ায় এই জয়ন্ত সিংয়ের। অভিযোগ, গত রবিবার রাতে আড়িয়াদহের বাসিন্দা সায়নদীপ পাঁজাকে মারধর করে এই জয়ন্ত সিং ও তার দলবল। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন মা-ও। সায়নদীপের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। বেলঘড়িয়ার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি সে। তার মায়ের শারীরিক অবস্থাও ভালো না। তাঁর দুটি দাঁত ভেঙে গিয়েছে আর আরও দুটি দাঁত মাড়ির মধ্যে ঢুকে গিয়েছে। কথা বলতে পারছেন না তিনি।
এই ঘটনায় সায়নদীপের পরিবার জয়ন্ত সিং ও তার দলবলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ ৬ জনকে গ্রেফতার করলেও মূল অভিযুক্ত জয়ন্ত সিং অধরাই ছিলেন। ঘটনার চারদিন কেটে গেলেও পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে নি তাকে। ফেরার ছিলেন তিনি।
জানা গিয়েছে, আজ, বৃহস্পতিবার নিজের বেলঘড়িয়া থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন জয়ন্ত সিং। তারপর তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাকে। আজই তাকে ব্যারাকপুর আদালতে পেশ করা হবে বলে খবর। তাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ। এই জয়ন্ত সিংয়ের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, মারধর, হুমকি দেওয়া এমন নানান অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
ঘটনার চারদিন কেটে গেলেও পুলিশ কেন তাকে গ্রেফতার করতে পারল না, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এই ঘটনায়।





