প্রতিশ্রুতি পূরণ মোদী-শাহ্‌’র, CAA-তে নাগরিকত্ব পাচ্ছেন বাংলার শরণার্থীরা, শুরু প্রক্রিয়া, মমতা পারবেন প্রক্রিয়া আটকাতে?

Process of giving citizenship certificates to beneficiaries of Bengal started: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, যাই হয়ে যাক না কেন তিনি বাংলায় কোনওভাবেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ লাগু করতে দেবেন না। কিন্তু তাঁর সেই কথা শেষ পর্যন্ত ধোপে টিকল না। এই আইনের অধীনে থাকা বাংলার শরণার্থীরা ইতিমধ্যেই সিএএ শংসাপত্র (citizenship certificates) পেতে শুরু করেছেন (Process of giving citizenship certificates to beneficiaries of Bengal started)। গতকাল, বুধবার ২৯ মে থেকেই সেই প্রক্রিয়া চালু হয়ে গিয়েছে বলে জানাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শেষ পর্যন্ত কী প্রক্রিয়া রুখে দেবেন মমতা?

২০১৯ সালে সিএএ আইন পাশ হলেও তা লাগু করা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়েছে। ফলে সেই সময় সেই আইন বাস্তবায়িত করা সম্ভব হয়নি। তবে চলতি বছরের মার্চ মাসে লোকসভা নির্বাচন শুরুর আগেই দেশজুড়ে কার্যকর হয় সিএএ আইন। প্রকাশিত হয় আইনের বিধি। আইনের অধীনে নাগরিকত্ব (citizenship certificates) পেতে আবেদন করার জন্য পোর্টাল খোলা হয় কেন্দ্রের তরফে। সেই পোর্টালে উপযুক্ত নথি দিয়ে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানান শরণার্থীরা (Process of giving citizenship certificates to beneficiaries of Bengal started)

গত ১৫ মে নয়া দিল্লিতে সিএএ আইনের অধীনে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা ব্যক্তিরা প্রথম নাগরিকত্বের শংসাপত্র পান। এদিন ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা এর আগে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ থেকে নিপীড়িত হয়ে ভারতে পালিয়ে আসা অমুসলিম উদবাস্তুদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র (citizenship certificates) দেওয়া হয়। এবার দু’সপ্তাহের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেও সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল (Process of giving citizenship certificates to beneficiaries of Bengal started)

এই সিএএ নিয়ে এর আগে তো বটেই আবার নানান নির্বাচনী সভা থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তাঁর জীবন থাকতে তিনি বাংলায় সিএএ চালু হতে দেবেন না (Process of giving citizenship certificates to beneficiaries of Bengal started)। তাঁর কথায়, এই আইন আসলে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন। গতকাল, বুধবারও এক নির্বাচনী সভা থেকে সিএএ নিয়ে মমতা বলেছেন, “সিএএ, এনআরসি বা ইউসিসি আমাদের বৈচিত্র্যকে মুছে দেবে। মানুষ যদি এই বিভেদের রাজনীতি না চায়, তাহলে তাদের অবশ্যই বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিতে হবে”।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলায় প্রচারে এসে তৃণমূলের এই সিএএ-র বিরোধিতা করা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলকে আক্রমণ করেছেন (Process of giving citizenship certificates to beneficiaries of Bengal started)। মোদীর কথায়, “বাংলার সীমান্ত এলাকার জনসংখ্যা পাল্টে যাচ্ছে। তৃণমূল ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হওয়া সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব (citizenship certificates) দেওয়ার বিরুদ্ধে। কেন তারা সিএএ-র এত বিরোধিতা করছে? কেন এই তারা সিএএ নিয়ে মিথ্যা বলছে? তৃণমূল, হিন্দু এবং মতুয়া সম্প্রদায়কে বাংলায় থাকতে দিতে চায় না। সমাজের একটি বিশেষ অংশকে সন্তুষ্ট করার জন্য, তৃণমূল সরকার প্রকাশ্যে সংবিধানকে আক্রমণ করছে। সংবিধানে দলিত এবং অনগ্রসর জাতিদের জন্য সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে সংরক্ষণ লুট করা হয়েছে। মুসলমানদের জাল ওবিসি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে”।

আরও অন্যান্য খবর