বাংলা থেকে পাকিস্তান, ইরান, প্যালেস্টাইনে তথ্য পাচারের অভিযোগ। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার করা হল এক যুবককে। ধৃতকে ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে মহারাষ্ট্রে নিয়ে গিয়েছে মুম্বই সন্ত্রাস দমন শাখা। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির,দেশদ্রোহী আইন সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছে এটিএস।
কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?
জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম মুক্তা মাহাতো। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের বাঘন পঞ্চায়েতের কাঁকড়ামোড় গ্রামের বাসিন্দা সে। দেশবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে সম্প্রতি মুম্বাই থেকে এক যুবককে গ্রেফতার করে দুর্নীতি দমন শাখা। তাকে জেরা করেই প্র একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পারে দুর্নীতি দমন শাখা।
ওই ধৃতকে জেরা করেই এই মুক্তার হদিশ পায় তদন্তকারীরা। এর পরই কালিয়াগঞ্জে হানা দেয় তদন্তকারী দল। গত শুক্রবার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই যুবককে। ইতিমধ্যেই ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে মহারাষ্ট্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এই ঘটনায় রায়গঞ্জ মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সরকারি আইনজীবী পিন্টু ঘোষ বলেন, “ধৃতের বিরুদ্ধে দেশ বিরোধী আইন সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছে এটিএস। ধৃতকে সিজেএম আদালতে পেশ করা হলে ট্রানজিট রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে এটিএস-র তরফ থেকে। বিচারক মঞ্জুর করে ১৮ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালতে তোলার নির্দেশ দেন”।
জানা গিয়েছে, মুক্তা নির্মাণ শ্রমিকের কাজে বাংলা থেকে মহারাষ্ট্রে গিয়েছিল। সেখানে থাকাকালীনই দেশবিরোধী কার্যকলাপে সে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ভারতীয় নৌসেনা সহ একাধিক ডকের গোপনীয় তথ্য ভিন দেশে পাচার করেছে মুক্তা। তবে রায়গঞ্জ পুলিশ এই ঘটনা পুরোটাই গোপন রাখতে চেয়েছে। যদিও ধৃতের মা একথা মানতে রাজিই নন যে তাঁর ছেলে অপরাধমূলক কার্যকলাপে যুক্ত।





