Recruitment in Municipality Instead of Failing in Exam: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়েই উঠে এসেছিল পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির দিকটি। সেই মামলাতেও তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। শিক্ষা দুর্নীতিতে আগেই জানা গিয়েছে যে অনেকেই সাদা খাতা জমা দিয়েই চাকরি পেয়েছে। এবার পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে জানা গেল, ফেল করেও চাকরি পেয়েছেন একাধিক। আর সেই চাকরি হয়েছে তৃণমূল পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু গোপাল রায়ের হাত ধরে (Recruitment in Municipality Instead of Failing in Exam)।
পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলার চার্জশিট পেশ করেছে সিবিসি। কোন পুরসভায় কত বেআইনি নিয়োগ হয়েছে, সেই তালিকা প্রকাশ্যে এসেছে। দেখা গিয়েছে, বেআইনি নিয়োগে সবথেকে প্রথমে রয়েছে দক্ষিণ দমদম পুরসভা। সেখানে ৩২৯ জনের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়াও তালিকায় রয়েছে বরানগর, কামারহাটি, পানিহাটি, কৃষ্ণনগরের মতো একাধিক পুরসভা। সিবিআইয়ের এই চার্জশিটে নাম রয়েছে দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু গোপাল রায়েরও (Recruitment in Municipality Instead of Failing in Exam)।
তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ২০২০ সালে গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি পদে একইদিনে নিয়োগ হয়েছিল ২৯ জনের। এদের মধ্যে মজদুর পদে চাকরি পেয়েছিলেন ২৭ জন। এরা লিখিত পরীক্ষায় সকলে একই নম্বর পেয়েছিলেন। প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৫৫ কিন্তু মৌখিক পরীক্ষায় ফেল করেন সকলেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও সকলকেই চাকরি দেওয়া হয়েছিল।
একইদিনে সেই চাকরি দেওয়ার অর্ডারে সই করেছিলেন তৎকালীন চেয়ারম্যান পাঁচু গোপাল রায়, এমনটাই জানা গিয়েছে সিবিআই তদন্ত সূত্রে (Recruitment in Municipality Instead of Failing in Exam)। সিবিআই এও জানায় যে প্রশ্নপত্র তৈরি বা উত্তর চেক করার জন্যও কোনও এক্সপার্ট রাখা হয়নি। পরীক্ষার বরাত যে সংস্থাকে দেওয়ার হয়েছিল, সেই সংস্থার কর্তা ধৃত অয়ন শীলই নিজে প্রশ্নপত্র তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ।
তবে পাঁচু গোপাল রায় এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে (Recruitment in Municipality Instead of Failing in Exam)। তাঁর দাবী, সরকারের অনুমোদন মেনেই নিয়োগ হয়েছে। তিনি বলেন, “সরকারি বিভাগ অনুমোদন দিয়েছে। সেই অনুযায়ী নিয়োগ হয়। আলাদা বোর্ড ছিল। তারা নিয়োগ করেছে। এটা বিচারাধীন বিষয়, তাই নিয়োগ বেআইনি কি না, তা বলতে পারবে আদালত”।





