বরানগরে বুথে বিজেপি এজেন্টকে বসতে বাধা, খবর করতে গেলে কেন্দ্রীয় জওয়ানদের মারধর সাংবাদিককে, তুমুল হইচই

আজ, শনিবার চলছে ভোট গ্রহণ। এদিন লোকসভা নির্বাচনের শেষ ও সপ্তম দফার ভোট। শেষ দফা সকাল থেকেই নানান অশান্তির খবর উঠে আসে নানান প্রান্ত থেকে। এবার খবর করতে গিয়ে আক্রান্ত খোদ সাংবাদিক। কেন্দ্রীয় জওয়ানের মারে আক্রান্ত টিভি ৯ বাংলার সাংবাদিক। ভেঙে দেওয়া হল বুম।

আজ, ১ জুন লোকসভা ভোটের পাশাপাশি বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রে রয়েছে বিধানসভা উপনির্বাচন রয়েছে। সেখানে বিজেপির প্রার্থী সজল ঘোষ ও তৃণমূলের হয়ে লড়ছেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, বরানগরের বনহুগলির এক বুথে বিজেপি এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়া হয়। সেই নিয়েই শুরু অশান্তি।

সজল ঘোষের নির্বাচনী এজেন্ট অভিযোগ করেন, বনহুগলি হাই স্কুলে যে বুথ রয়েছে, সেখানে বিজেপি এজেন্টকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। সেই খবরই করছিলেন টিভি ৯ বাংলার এক সাংবাদিক। সেই সময় বেশ কয়েকজন ওই সাংবাদিককে জিজ্ঞাসা করেন, কেন তারা সেখানে এসেছেন। এই নিয়ে শুরু হয় বচসা।

এসবের মধ্যেই আচমকা মারমুখী হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনী। লাঠি উঁচিয়ে সাংবাদিকের দিকে তেড়ে যান জওয়ানরা। ধাক্কা দেওয়া হয় সাংবাদিককে। ক্যামেরা দেখে লাঠি ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। কেড়ে নেওয়া হয় বুম। সাংবাদিক পালিয়ে বাঁচতে গেলে তাঁর হাতে ও কানে লাঠি দিয়ে মারা হয় বলে অভিযোগ। হেলমেট দিয়েও মারধর করা হয়েছে।

নির্বাচনের খবর করার জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে সচিত্র পরিচয়পত্র দেওয়া সাংবাদিকদের। সেখানে নিয়ম লেখা থাকে। আক্রান্ত সাংবাদিকের কাছে সেই পরিচয়পত্র ছিল। বুথের বাইরে কোনও সাংবাদিক খবর করতেই পারেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও কেন এভাবে সাংবাদিককে হামলা করা হল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। একজন জওয়ান কীভাবে মারধর করতে পারেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বুথের ভিতর কেন বিজেপি এজেন্টকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না, কী চলছে এমন বুথের ভিতর যার জন্য খবর করতে গিয়ে এভাবে আক্রান্ত হলেন একজন সাংবাদিক, এমন নানান প্রশ্ন উঠেছে।     

RELATED Articles