একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টার্গেট ছিল ২০০ আসনের। কিন্তু এর অর্ধেক আসনও পায়নি গেরুয়া শিবির। ৭৭-এ গিয়েই আটকে যায় গেরুয়া রথ। আর এরপর থেকে একের পর এক বিজেপি নেতার তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের কারণে সেই বিধায়ক সংখ্যা এখন কমে দাঁড়িয়েছে ৭০-এ।
এরই মধ্যে রয়েছে কলকাতাউ পুরভোট। এই আবহে শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলকে নতুন করে অক্সিজেন জোগাতে এবার উঠেপড়ে লেগেছে বঙ্গ বিজেপি।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ডিসেম্বরের প্রথমের দিকেই বঙ্গ বিজেপিতে আসতে চলেছে বড়সড় বদল। জানা গিয়েছে, ৩১ জনের একটি কমিটি গঠন করতে চলেছে বিজেপি। এবার তৃণমূলের পথ অনুসরণ করেই রাজ্য কমিটিতে মহিলা ও যুবকদের গুরুত্ব দেওয়া হবে। নতুন এই রাজ্য কমিটিতে ৬-৭ জন মহিলা থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।
গত সেপ্টেম্বরেই বাবুল সুপ্রিয় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রত্যাবর্তন করেছেন ঘাসফুল শিবিরে। এরই মধ্যে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে দল থেকে বহিষ্কৃত হতে হয়েছে হাওড়ার জেলা সভাপতিকে। আবার জানা যাচ্ছে, দল ছাড়তে চেয়ে সুকান্ত মজুমদারকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন বিজেপির দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অশোক চক্রবর্তী।
এমন পরিস্থিতিতে বেশ শোচনীয় অবস্থা বঙ্গ বিজেপির। তবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানান, “যারা বিজেপির নীতি এবং আদর্শ নিয়ে পথ চলছেন তাদেরকে উপযুক্ত সম্মান দেওয়া হচ্ছে”। বিজেপি রাজ্য সভাপতি যাই বলুন না কেন, ক্রমাগত দলে ভাঙনের ঘনঘটা দেখা দেওয়ায় শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জবাবদিহি করতে হচ্ছে বঙ্গ বিজেপিকে। এই কারণেই এবার দলের রাজ্য কমিটিকে ঢেলে সাজাতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি।





