‘সবার দিদি ছিলেন যিনি, পালটে উনি পিসি’, ব্যঙ্গাত্মক কবিতায় মমতাকে বিঁধলেন, গেরুয়া ‘রুদ্রনীল’

রুদ্রনীল এখন লাল-সবুজ ঘুরে গেরুয়া শিবিরে। বাস্তবকে তুলে ধরে কবিতা লিখে এবং তা পাঠ করে বেশ জনপ্রিয় হয়েছেন এই অভিনেতা। তাঁর “সাতে পাঁচে থাকি না” তো প্রায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল।

তবে তিনি যে সাতে পাঁচে থাকেন এবং প্রবলভাবেই থাকেন তা পদ্ম শিবিরে যোগ দিয়েই বুঝিয়েছিলেন টলিউডের এই দাপুটে অভিনেতা।

আরও পড়ুন- বড় খবরঃ এবার বেসুরো অনুব্রত মণ্ডল! খেলা হবে না বীরভূমে?

এবার নিজের কবিতার মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বিঁধলেন এই কবি তথা অভিনেতা। এ রাজ্যে শিল্প নেই, শুধু ভাষণ রয়েছে, স্থানীয় নেতারা ঘুষ নিতে ছাড়ে না, আমফানের ত্রিপল চুরি হয়েছে, কিন্তু কোনও নেতাই জেলে যায়নি। তবে কি দিদিও ওদের দলে? প্রশ্ন করে বসলেন রুদ্রনীল। বা যে চরিত্র তিনি অভিনয় করছেন সেই বিবাহিত পুরুষটি। যার নাম অবশ্যই সাড়ে সাত মিনিট দীর্ঘ এই কবিতায় উহ্যই রয়েছে।

স্বাস্থ্যসাথী ‘ঢপ’-এর কার্ড, গ্র্যাজুয়েট ছেলেরাও টোটো চালাচ্ছে…রাজ্যে শিল্প নেই,উন্নয়ন অলীক স্বপ্ন। এমনকি করোনায় মৃতের সংখ্যা চাপা দিয়েছে সরকার! রুদ্রনীলের কবিতায় কাল্পনিক চরিত্র, প্রতিবেশী দত্ত বাবু এমনভাবেই রাজ্য সরকারের দিকে আঙুল তুলল।

আরও পড়ুন- মানুষ এসব নাটক দেখে অভ্যস্ত, মুখ্যমন্ত্রীর পায়ে চোট লাগার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ

তাঁর কবিতায় তিনি বলেছেন,’ভাইপো-ভাইঝি ও দল চালায়, দিদি হাতের পুতুল। সবার দিদি ছিলেন যিনি, পালটে উনি পিসি’।

২৯৪ কেন্দ্র জুড়ে প্রার্থী কেবল দিদি! যদিও গতবারের নির্বাচনেও এই জুমলা দিয়েছিলেন মাননীয়া কিন্তু লাভ কি হয়েছে? প্রশ্ন দত্তবাবুর। এইসব কথা হেলায় উড়িয়ে দিতে পারলেন না রুদ্রনীল। সামান্য দেরিতে হলেও আত্মোপলব্ধি হল তাঁর।

শুধু তৃণমূল নয়, রাজ্যের অন্যতম জোট বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ‌ ও রুদ্র’র তোপের সামনে থেকে বাঁচেননি। ঠিক কী বলেছেন রুদ্রনীল দেখে নিন-

দত্তবাবুর ধমক খেয়ে প্রতিবেশী রুদ্রনীলের উপলব্ধি,  – ‘৩৪ বছর লালকে দিলাম, সবুজকে দশ সাল, দেখাই যাক না গেরুয়াকে বদলায় কিনা হাল। পালটে গেলাম আজকে আমি…. বুঝে নেব কোনটা খাঁটি, কোনটা ছিল মেকি।’

RELATED Articles