বেশ কিছুদিন ধরেই একটা প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে যে, বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় (Rupa Ganguly) কী তৃণমূলে (TMC) যোগ দিচ্ছেন? সূত্রের খবর, বিজেপির (BJP) রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভালো নেই। আর এরই মধ্যে কিছুদিন আগেই তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) সঙ্গে একই ফ্রেমে দেখা গিয়েছে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে। আর এরপর থেকেই তাঁর তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জল্পনা আরও প্রবল হয়েছে।
আর কিছুদিন পরই ২১শে জুলাই। এদিন শহিদ দিবসের জন্য সমাবেশ রয়েছে তৃণমূলের। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল যে তার আগেই নাকি ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিতে পারেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। তবে এই বিষয়ে বিজেপি নেত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন যে তিনি কী করতে যাবেন? নিজের মাথার ফাটাটা দেখাতে যাবেন?
বিজেপি সাংসদের কথায়, সবাই বিক্রি হয়ে যায় না। ২১শে জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে রূপা বলেন যে ওইদিন বাস মালিকদের ধাক্কা মেরে, ভয় দেখিয়ে লোক আনা হবে। কেউ যদি রাজি না হয়, তাহলে বাস নিয়ে বেরোনোই বন্ধ করে দেবে সরকার। রূপার তোপ দেগে এও বলেন যে তৃণমূল সরকার গঠনের পর বিজেপির যতজন শহিদ হয়েছে, সেই সংখ্যাটা অনেক বেশি।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে যে রূপা গঙ্গোপাধ্যায় যে দল বদল করছেন, এই গুঞ্জনটা কেন ছড়াল? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন যে কেউ হয়ত কল্পনা করেছেন এমন। তাঁর নাম নিয়ে হাইপ তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবী বিজেপি নেত্রীর। তিনি এও জানান যে তাঁকে বলার মতো কারোর সাহস নেই। কারণ সবাই তো আর বিক্রি হয়ে যায় না। রূপা সাফ জানান যে তিনি বিজেপিতেই ছিলেন আর বিজেপিতেই থাকবেন। গেরুয়া শিবিরও তাঁকে তাড়াতে পারবে না।
রূপা গঙ্গোপাধ্যায় একদা লিখেছিলেন যে অনেকেই তাঁকে প্রশ্ন করেন যে তিনি কেন রাজনীতিতে এলেন? রূপার কথায়, কেউ আসে কিছু করতে আর কেউ আসে কিছু হতে। কিন্তু তিনি স্বেচ্ছায় এসেছেন। রূপা জানান যে বিজেপির একজন কার্যকর্তা হতে পেরে তিনি খুবই গর্বিত।





