শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি চরম থেকে চরমতর। দেশে জ্বালানি, খাদ্যসামগ্রীর হাহাকার। গোটা বিশ্ব দেখছে সেই ছবি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই পরিস্থিতি আবারও হতে পারে পাকিস্তানের সঙ্গে। শুধু পাকিস্তান নয়, বিশ্বের অনেক দেশের অর্থনীতি ভাঙনের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। শ্রীলঙ্কা, লেবানন, রাশিয়া, সুরিনেম, জাম্বিয়া ইতিমধ্যেই ঋণখেলাপি হিসেবে ঘোষিত।
অনেকে বলছেন, ভারতে হামলার সন্ত্রাসের মদত না দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোর উপরে নজর দিক পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাহায্য পেলেও পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘এটা তো সরকারি বয়ান। সরকারি আয়ের যে একটা বড় অংশ সীমান্তে সন্ত্রাস তৈরি করে ভারতকে অস্বস্তিতে ফেলার চেষ্টায় ব্যয় হয়, সেটা মোটামুটি সবাই জানে।’
পাকিস্তানি মুদ্রার পতন ইতিমধ্যেই রেকর্ড করেছে। ফলে পাকিস্তান সরকার অবিলম্বে খরচ না কমাতে পারলে বিপর্যয় অনিবার্য। এখন থেকেই সতর্ক হতে বলছেন পাকিস্তানকে।





