বড়দিনে বড় উপহার! বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের খুশি করতে সান্তা সেজে হাজির জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ, সঙ্গে প্রচুর উপহার

প্রতি বছরই এমন করে থাকেন তিনি। বড়দিনের ঠিক আগে সান্তা সেজে পৌঁছে যান বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের কাছে। সঙ্গে থাকে সান্তার ঝুলি। আর সেই ঝুলিতে থাকে দারুণ দারুণ উপহার। এই বছরও এর অন্যথা হল না। ২৫শে ডিসেম্বরের আগেই রিয়েল লাইফ সান্তা পৌঁছে গেলেন বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের কাছে।

কে সাজেন এই সান্তা?

জানা গিয়েছে, জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায় প্রতি বছরই এমনভাবে সান্তা সেজে পৌঁছে যান উত্তরপাড়ার লুইস ব্রেইল মেমোরিয়াল স্কুলে। সেখানে বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের ক্রিসমাস গিফট দেন তিনি। নিজের সমাজসেবী সংস্থা ‘প্রকৃতি’র সদস্যদের নিয়েই প্রতি বছর স্কুলে যান সুবীরবাবু।  

তাঁর পরনে থাকে সান্তাক্লজের লাল জামা, লাল টুপি, নকল সাদা দাড়ি আর অবশ্যই সান্তার ঝুলি। যাতে ভরা থাকে কেক, চকোলেট ও আরও নানান উপহার। এই বছরও তেমনই করলেন জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ। গতকাল, শুক্রবার তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন ওই স্কুলে। এরপরই শুরু হয় ক্রিসমাস সেলিব্রেশন।

এদিন বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের হাতে কেক, চকোলেট, ও আরও নানান শীতের সামগ্রী তুলে দেন সুবীরবাবু। তিনি যখন স্কুলে ঢোকেন, তখন জিঙ্গেল বেলের সুরে বাঁশি বাজছিল। স্কুলের বাচ্চারা যেহেতু দৃষ্টিহীন, সেই কারণে সেই সুর শুনেই তারা বুঝতে পারে যে সান্তা এসেছে তাদের কাছে। সান্তার থেকে উপহার পেয়ে খুব খুশি হয় তারা।

কী জানাচ্ছেন সুবীর মুখোপাধ্যায়?  

এদিন স্কুলে অনুষ্ঠান শেষে সুবীরবাবু বলেন, “প্রতি বছরই আমার টিম প্রকৃতির সদস্যদের নিয়ে আমি কখনও ফুটপাতের যীশু বা এই বিশেষ সক্ষম যীশুরূপীদের কাছে এসে যাই। বিভিন্ন সামাজিক কাজের সঙ্গে এটাও আমার একটা কর্তব্য বলে মনে করি। এখানে যাদের দেখি এরা কিন্তু কেউ অন্ধ নয়। অন্ধ তো আমরা, যারা রাস্তায় কোনও অসহায়কে দেখলেও এগিয়ে যাই না। বৃদ্ধ পিতা-মাতা দের অবহেলা করা হয় আমাদের এই সমাজে। কিন্তু আমরা বিভিন্ন সময়ে অসহায়দের পাশে থাকি সারা বছর”।

RELATED Articles