বছর গড়ালেই লোকসভা নির্বাচন। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। চলছে সভা, পাল্টা সভা। আর এই সভাতেই একে অপরকে তোপ দাগার কোনও সুযোগ ছাড়ছেন না শাসক-বিরোধী নেতারা। তোপ দাগতে গিয়ে অনেকসময় কুকথাও বলে ফেলছেন অনেকেই। তবে এবার ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার গলায় শোনা গেল রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া কথা। লোকসভা ভোটের আগে কেন এমন বললেন তিনি।
কী হল হঠাৎ শওকত মোল্লার?
সত্যিই কী তবে রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন তৃণমূল বিধায়ক? সেই প্রশ্নই এখন উঠেছে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে। না, তিনি রাজনীতি কার্যত ছাড়ছেন না। ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে আক্রমণ করতে গিয়েই তিনি একথা বলেছেন। নওশাদকে আক্রমণ করতে গিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন শওকত। সেখানেই তিনি বলেছেন নওশাদকে জব্দ না করতে পারলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।
ঠিক কী বলেছেন শওকত?
আজ, শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের হাতিশালে একটি বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান ছিল তৃণমূলের। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শওকত মোল্লা। এদিন সেই অনুষ্ঠান থেকেই তাঁর দাবী, পঞ্চায়েত নির্বাচনে যতজন খু’ন হয়েছেন, সেই খু’নের দায় নওশাদ সিদ্দিকির। তথ্য প্রমাণ দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন শওকত।
এরপরই বিধায়ক বলেন, “লোকসভা ভোটে নওশাদ সিদ্দিকি ডায়মন্ড হারবারে ভোটে দাঁড়াবেন দাঁড়াক। কিন্তু ওটা ভাঙড় নয়। আমিও ডায়মন্ড হারবারের সাতগাছিয়া বিধানসভার পর্যবেক্ষক। তাই নওশাদের জামানার জব্দ যদি করতে না পারি ভোট গণনার পরের দিন রিজাইন দেব”।
শুধুমাত্র শওকত মোল্লাই নয়, এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরাবুল ইসলামও। তিনিও শওকত মোল্লার সুরে সুর মিলিয়েই বলেন, “আগামী লোকসভা ভোটে ভাঙড় থেকে নওশাদ সিদ্দিকির বিষ তুলে, গলা ধাক্কা দিয়ে হুগলিতে পাঠিয়ে দেব”। তৃণমূল নেতাদের এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত নওশাদ সিদ্দিকির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।





