গেম খেলার নেশাই মরণফাঁদ! শাড়ি আগুনে পুড়ে গেলেও গেম খেলাতেই মত্ত গৃহবধূ, হুঁশ ফেরার আগেও বড় অঘটন

গেম খেলায় মত্ত হয়ে এর আগে নানান মৃত্যুর খবর মিলেছে। রেললাইনের পাশে গেম খেলায় মত্ত থেকে ট্রেনের আওয়াজ শুনতে না পেয়ে দুর্ঘটনা, এমন ঘটনার নজির নেহাতই কম নয়। এবার ফের একবার সেই গেমের নেশায় মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়াল এক গৃহবধূর জন্য।

গত কয়েকদিন ধরেই গোটা রাজ্যে কনকনে ঠাণ্ডা পড়েছে। আর উত্তরবঙ্গে তো কথাই নেই। ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে রান্না করার ফাঁকেই আগুন পোহাচ্ছিলেন শিখা বর্মণ নামে এক গৃহবধূ। আর সেই সময়ই ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা।

ঠিক কী ঘটেছে ঘটনাটি?

এই ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি ব্লকের খাগড়া বাড়ি এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের হঠাৎ কলোনিতে। জানা গিয়েছে, ঠাণ্ডার কারণে আগুন ধারে বসে আগুন পোহাচ্ছিলেন ওই গৃহবধূ। আগুন পোহানোর পাশাপাশি মোবাইলে গেমও খেলছিলেন তিনি। গেম খেলায় তিনি এতটাই মত্ত হয়ে গিয়েছিলেন যে বুঝতেই পারেন নি কখন তাঁর আঁচলে আগুন ধরে গিয়েছে।

ধীরে ধীরে আগুন যখন গোটা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, তখন হুঁশ ফেরে ওই গৃহবধূর। কিন্তু ততক্ষণে আগুন গ্রাস করেছে তাঁকে। চিৎকার করতে করতে এদিক-ওদিক ছুটে বেড়ান তিনি। তাঁর চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। দ্রুত ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় গ্রামীণ হাসপাতালে।  

তবে পরবর্তীতে গৃহবধূর অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সেই কারণে তাঁকে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের অধীনে সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন ওই গৃহবধূ। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি, এমনটাই খবর।

কী জানাচ্ছেন গৃহবধূর পরিবার?

শিখা রায়ের এক আত্মীয় জানান, “আগুন পোহাচ্ছিল। হঠাৎ শুনি চিৎকার। আমি বাইরে বেরিয়ে আসতেই আমায় জড়িয়ে ধরছিল। ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। তারপর লোকজন ডেকে ওকে হাসপাতালে ভর্তি করাই”।

RELATED Articles