বিধানসভা নির্বাচনের (Legislative Assembly Election) আর এক বছরও দেরি নেই, এর মধ্যেই রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার নিয়ে রীতিমত যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কাজ করছে প্রধান বিরোধী শক্তি বিজেপি (BJP)। রাজ্যে করোনা পরিস্থিতিতে প্রথম কয়েক মাস ধাক্কা খেলেও ধীরে ধীরে নিজেদেরকে সামলে নির্বাচনের জয়যাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে গেরুয়া শিবির। আজ বিষ্ণুপুরের সাংসদ তথা বিজেপির যুব মোর্চার (BJYM) সভাপতি সৌমিত্র খাঁর (Saumitra Khan) তরফে ২৯ জন জেলা সভাপতিদের (District President) নামের তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। বিজেপি যুব মোর্চার এই পদক্ষেপ আগামী বছরে নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই করা হলো বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
কোচবিহারে জেলা সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অজয় সাহা, আলিপুরদুয়ারে বিপ্লব দাস, জলপাইগুড়িতে পোলান ঘোষ, শিলিগুড়িতে কাঞ্চন দেবনাথ, উত্তর দিনাজপুরে গৌতম বিশ্বাস, দক্ষিণ দিনাজপুরে অভিষেক সেনগুপ্ত, মালদাতে শুভঙ্কর চম্পটি, দক্ষিণ মুর্শিদাবাদে অয়ন মন্ডল, উত্তর নদীয়ায় সৈকত সরকার, দক্ষিণ নদীয়ায় ভাস্কর ঘোষ, বারাসাতে সঞ্জীব চৌধুরী, উত্তর কলকাতায় পিন্টু দাস, ডায়মন্ড হারবারে অতনু সাঁতরা, আরামবাগে বিশ্বজিৎ ঘোষ, কাঁথিতে অরূপ দাস, ঘাটালে রাজু আরি ঝাড়গ্রামে চন্দনেশ্বর সেনগুপ্ত, বাঁকুড়ায় সুনীল মণ্ডল, বিষ্ণুপুরে সুশান্ত দাঁ, পুরুলিয়ায় নীলোৎপল সিনহা, বর্ধমান শহরে শুভম নিয়োগী, কাটোয়ায় শুভদীপ মাপদার, বীরভূমে সুশান্ত মন্ডল, তমলুকে প্রতীক পাখিরা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার পূর্বভাগে সুমন দত্ত, মথুরাপুরে মনোজকুমার গোলদার, হাওড়া শহরে ওমপ্রকাশ সিং, দার্জিলিংয়ে সাগর পোখরাল, বসিরহাটে পলাশ সরকার; এই ২৯ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে বিজেপি যুব মোর্চার তরফে। আজকেই এই তালিকা সৌমিত্র খাঁ তথা বিজেপি যুব মোর্চার তরফ থেকে প্রকাশ করা হয়।

জেলা সভাপতিদের এই নতুন তালিকা দেখে এই কথা বোঝা যাচ্ছে যে আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল শিবিরকে সহজে ছেড়ে কথা বলবে না বিজেপি। সেই জন্য এখন থেকেই তারা আটঘাট বেঁধে ভবিষ্যতের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।





