চোখ রাঙাচ্ছে ‘দানা’! পর্যটকশূন্য সমুদ্র উপকূল, কোথায় আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড়, কোথায় কোথায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, জানাল হাওয়া অফিস!

ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’। এর জেরে ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে বাংলার আবহাওয়া। আজ, মঙ্গলবার ভোর থেকেই বেশ শিরশিরানি অনুভব করা যাচ্ছে। আগামীকাল, বুধবার থেকে আরও পরিবর্তন ঘটবে আবহাওয়ায়।

জানা যাচ্ছে, আয়লা বা আমফানের মতোই ধ্বংসলীলা চালাতে পারে এই ‘দানা’। ফলে সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের তরফে। উপকূল এলাকাগুলি ইতিমধ্যেই খালি করে দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য রাজ্য থেকে পুরীতে ঘুরতে যাওয়া পুন্যার্থীদের জানানো হয়েছে যাতে তারা বুধবারের আগেই ওই এলাকা ছাড়েন। বৃহস্পতি ও শুক্রবার কোনও পর্যটককে পুরী যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বাংলার নানান উপকূলবর্তী এলাকা যেমন পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা, মন্দারমনি, তাজপুরের মতো নানা পর্যটক কেন্দ্রেও কড়া নজর রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই কার্যত সমুদ্র উপকূল ফাঁকা। প্রবল গতি গিয়ে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’, এমনটাই খবর।

হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতে বা শুক্রবার খুব সকালেই ল্যান্ডফল হবে ঘূর্ণিঝড়ের। সেই সময় এই ঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৩০-১৩৫ কিলোমিটার। জানা যাচ্ছে, পুরী ও সাগরদ্বিপের কাছে ধামরা বন্দরের কাছে এই ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল হওয়ার সম্ভাবনা। আগামী ২৪ ও ২৫ অক্টোবর ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে খবর।

এমন অবস্থায় অতি তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছে প্রশাসন। সুন্দরবনের মৎস্যজীবীদের মাছ, কাঁকড়া ধরতে যেতে নিষেধ করেছে ঝড়খালি থানাত পুলিশ। মৎস্যজীবীদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়া নিষেধ। নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ, সাগর, বকখালিতে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। উপকূলের বাসিন্দাদের অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।  

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

RELATED Articles