৪৮ ঘন্টায় মৃত্যু হল ৭ শিশুর, রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে এমন শিশু মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

Several Children Died in 48 Hours in Government Hospital: গত দুদিনে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সাতটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা নিয়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ও এসএনসিইউ বিভাগে এই মৃত্যুগুলি ঘটেছে, যা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে মৃত শিশুদের পরিবারের অভিযোগ ভিন্ন। তারা দাবী করেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে (Several Children Died in 48 Hours in Government Hospital)। হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, রেফার হওয়া অপুষ্ট শিশুদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় এই মৃত্যুগুলি ঘটেছে।

মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক বিভাগ, এসএনসিইউ এবং পিকু বিভাগে মোট ১৫০টি বেড রয়েছে। এসএনসিইউ বিভাগে যেখানে ৬০টি বেডের জায়গা, সেখানে ৯৬টি শিশু ভর্তি রয়েছে। একইভাবে, পিকু এবং পেডিয়াট্রিক বিভাগে মোট ৯০টি বেডে ১৮০টি শিশু ভর্তি আছে। চিকিৎসকদের মতে, অপুষ্ট শিশুদের রেফার করা হচ্ছে এই হাসপাতালে, যার মধ্যে অনেকের ওজন মাত্র ৫০০ গ্রাম (Several Children Died in 48 Hours in Government Hospital)। সদ্যজাত কোনও শিশুর মৃত্যু হলে তা ৬ ঘণ্টা ধরে পর্যবেক্ষণ করা হয়। ফলে ২৪ ঘণ্টায় ৮টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ সত্য নয়।

রেজিনগরের বাসিন্দা হাসিবুর শেখ জানান, তার নাতির জন্ম হয়েছিল একটি নার্সিংহোমে, যেখানে শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করানোর পরও শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি। হাসিবুরের দাবি, তার চোখের সামনেই আরও তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে (Several Children Died in 48 Hours in Government Hospital)। ফারাক্কার পিন্টু শেখ জানান, তাঁর পঞ্চম সন্তানের জন্ম নির্ধারিত সময়ের আগেই হয়েছিল, তবে শিশুটির মৃত্যুর সঠিক কারণ তিনি বুঝতে পারছেন না।

মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ চিকিৎসক অমিতকুমার দা জানান, “একদিনে ৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে এমন কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। তবে অনেক শিশুকে গোল্ডেন আওয়ারের আগেই রেফার করা হচ্ছে, যার ফলে এই মৃত্যুগুলি ঘটছে। হাসপাতালে শিশু বিভাগের ২৪ ঘণ্টায় শিশু মৃত্যুর পরিমাণ বাড়ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে” (Several Children Died in 48 Hours in Government Hospital)। তিনি আরও জানান, বিষয়টি ইতিমধ্যেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

RELATED Articles