নিত্যযাত্রীদের চলাফেরা করা এবার বেশ কঠিন হতে চলেছে। একদিকে একগুচ্ছ লোকাল ট্রেন বাতিল, ও অন্যদিকে আবার সাঁতরাগাছি সেতু রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যান নিয়ন্ত্রণ। এর জেরে প্রতিদিন সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছনোটা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বর্ধমান বা আসানসোল থেকে কলকাতা আসতে গিয়ে যেমন যাত্রীরা সমস্যায় পড়তে পারেন, তেমনই আবার কলকাতা থেকে বর্ধমান যাওয়ার ক্ষেত্রেও একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে যাত্রীদের।
বর্ধমান কর্ড লাইনে বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার জন্য পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। টানা ১০ দিন বন্ধ কয়েকটি লোকাল ট্রেন থাকবে। বারুইপাড়া-চন্দনপুরের চতুর্থ লাইনে রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জেরেই বাতিল হয়েছে এই সব ট্রেন।
রেল সূত্রে খবর অনুযায়ী, এই ১০ দিনে সাত জোড়া অর্থাৎ ১৪টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু ট্রেন আবার ডানকুনির বদলে ব্যান্ডেল দিয়ে ঘোরানো হবে বলেও জানা গিয়েছে। তবে দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল হয়নি।
কিছু এক্সপ্রেস ট্রেন অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেগুলির মধ্যে ১২৩৭০ দেহরাদূন-হাওড়া কুম্ভ এক্সপ্রেস ব্যান্ডেল দিয়ে যাবে। ওই ট্রেনটি বর্ধমান থেকে রাত ১টা ২৫ মিনিটে ছাড়বে। এ ছাড়া, ১২৩২৮ দেহরাদূন-হাওড়া উপাসনা এক্সপ্রেস, ১৫২৩৬ দারভাঙা-হাওড়া এক্সপ্রেস, ১৩১৪৮ উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস এবং ১৫২৩৪ দারভাঙা-কলকাতা এক্সপ্রেস রয়েছে বলে জানিয়েছে পূর্ব রেল।
উল্লেখ্য, হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইনে এমনিতেই লোকাল ট্রেনের সংখ্যা কম। এর মধ্যে সোম থেকে শনিবার প্রতিদিন দু’টি লোকাল ট্রেন বাতিল হলে যে নিত্যযাত্রীরা বেশ বিপাকে পড়বেন, তা বলাই বাহুল্য। বর্ধমান থেকে কলকাতা বা কলকাতা থেকে বর্ধমান পৌঁছতে গেলে যাত্রীদের দু-আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।
আবার অন্যদিকে, পূর্ব রেলের হাওড়া-খড়্গপুর শাখার খাটকুড়া প্যাসেঞ্জার হল্ট স্টেশনে ওভারব্রিজ রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলার জন্য ২২ নভেম্বর বাতিল করা হবে এক জোড়া লোকাল ট্রেন। এছাড়াও কিছু দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হবে বলেও জানা যাচ্ছে।





