ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় দানা। বৃহস্পতিবার রাতে বা শুক্রবার খুব সকালে আছড়ে পড়বে। আছড়ে পড়ার সময় ঝড়ের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার। এর আগে ঝড়ের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু রাজ্যে। বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে রেলও।
ঝড়ের কারণেই কন্ট্রোল রুম খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে শিয়ালদহ ডিভিশনের তরফে। আগামী ২৪ ও ২৫ অক্টোবর এক এমারজেন্সি কন্ট্রোল রুম খোলা থাকবে। আধিকারিকরা থাকবেন সেখানে। এছাড়াও নেওয়া হয়েছে আরও বেশ কিছু ব্যবস্থা।
ঝড়ের কারণে হবে বৃষ্টি। এর জেরে রেললাইনে জল জমে যাওয়ার আশঙ্কা। সেই কারণে নানান জায়গায় পাম্প বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রেলের তরফে। ট্রেন চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছে না রেল। সেই বিষয়ে যাত্রীদের আগের থেকেই সতর্ক করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে রেলের তরফে।
প্রবল ঝড়-বৃষ্টির কারণে স্টেশন বা প্ল্যাটফর্মের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণে প্লাস্টিক শিটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শিয়ালদহ ও কলকাতার মতো বড় স্টেশনে প্রস্তুত এমার্জেন্সি লাইট রাখা হচ্ছে। যদি ওভারহেডের তারে সমস্যা হয়, তাহলে যাতে দ্রুত সমাধান করা যায়, তার জন্য টাওয়ার ওয়াগন প্রস্তুত রাখা হচ্ছে বলে খবর।
রেলের সূত্রে খবর, যে সমস্ত স্টেশনে ঝড়ের কারণে বেশি প্রভাব পড়তে পারে, সেখানে পর্যাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার ও টেলিকম স্টাফ মোতায়েন করা হবে। সেনামখানা, ডায়মন্ড হারবার, হাসনাবাদের মতো স্টেশনে এই বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে বলে খবর। আবার শিয়ালদহ, রাণাঘাট, নৈহাটি, বারাসাত, দমদমের মতো স্টেশনে ডিজেল লোকো থাকবে। ঝড়ের আগে স্টেশন থেকে বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।





