প্রতিদিনের মতোই চলছিল স্কুল। ক্লাস করছিল পড়ুয়ারা। কিন্তু এর মধ্যেই ঘটে এক বিপত্তি। এক এক করে অসুস্থ হতে থাকে পড়ুয়ারা। কিন্তু কেন, এই উত্তর তখনও মিলছিল না। এদিকে বমি শুরু হয় পড়ুয়াদের। তাদের দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।
এমন ঘটনা ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থানার বরুনা গ্রামপঞ্চায়েতের বিমলপাড়া চাউলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেই স্কুলেই ক্লাস চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়ে বেশ কিছু পড়ুয়া। সঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়েন স্কুলের এক শিক্ষিকাও। অনেক পড়ুয়াই আবার বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বমি করতে থাকে তারা। কিন্তু হঠাৎ কেন এমন ঘটল, তা প্রথমে কেউ ঠাওর করতেই পারছিলেন না।
একের পর এক পড়ুয়া এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়তে তাদের দ্রুত কুনোর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাদের পাঠানো হয় রায়গঞ্জ মেডিক্যাল হাসপাতালে। বর্তমানে রায়গঞ্জ মেডিকেলের শিশু বিভাগ ও সিসিইউতে ভর্তি শিশুরা।
কিন্তু কী কারণে এমন একসঙ্গে এতগুলো পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ল? জানা যাচ্ছে, স্কুল চলাকালীন খেলার সময় স্কুলের পাশের এক পরিত্যক্ত ঘরের জঙ্গলে গিয়েছিল কিছু পড়ুয়া। সেখানেই এক ধরণের ফল দেখতে পায় তারা। সেই ফলই খেয়ে ফেলে তারা। তাদের সঙ্গে এক শিক্ষিকাও সেই ফল খান। এরপর স্কুলে ফিরে আসেন। আর কিছুক্ষণ পর থেকেই অসুস্থ হতে শুরু করে পড়ুয়ারা। মনে করা হচ্ছে, সেই ফল থেকেই বিষক্রিয়ার জেরে এই অসুস্থতা।
এই প্রসঙ্গে এক পড়ুয়া জানায়, “স্কুলের পাশের একটা জঙ্গলে গিয়েছিলাম সবাই মিলে। একটা ফল ছিল। কিন্তু সেটা কী ফল, তা জানি না। আমার বন্ধু বলল খেয়ে নিতে। তাই আমরা সবাই সেটা খেয়েছি। তারপরই অসুস্থ হয়ে যাই”।
আরও পড়ুনঃ ‘তিন বেলা ধরে জেলে ধর্ষককে জেলে বসিয়ে কেন খাওয়াতে যাব…’, ধর্ষকদের কোন শাস্তির দাবী তুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?
এক অভিভাবক বলেন, “বাচ্চাগুলো বমি করছে স্কুল থেকে আসার পর। তবে কী ফল সেটা বলতে পারছে না। তারপর ওই ফল পেড়ে নিয়ে এসে দেখলাম এটা তো বিষাক্ত ফল”।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার