ফের একবার চক্রান্ত তত্ত্বতেই শান দিলেন রেশন দুর্নীতিতে ধৃত বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য। আদালতের নির্দেশে আপাতত ইডির হেফাজতেই রয়েছেন তিনি। আজ, বৃহস্পতিবার তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। এদিন হাসপাতালে যাওয়ার পথে মুখ খোলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ শঙ্কর।
এদিন হাসপাতালে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সামনে শঙ্কর আঢ্য বলেন, “কেউ কেউ চক্রান্ত করে আমাকে ফাঁসিয়েছে”। কে বা কাদের চক্রান্তের শিকার হয়েছেন তিনি, এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান। তাঁর কথায়, “অপেক্ষা করুন। সময় এলেই সবটা জানতে পারবেন”।
রেশন দুর্নীতিতে বাকিবুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার পরই ইডির স্ক্যানারে আসেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর জ্যোতিপ্রিয়কে গ্রেফতার করে ইডি। এরপরই ইডি অভিযান চালায় বালুর দুই ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্য ও শেখ শাহজাহানের বাড়ি।
শেখ শাহজাহানের নাগাল না পেলেও জেরার মুখে পড়ার পর গ্রেফতার করা হয় শঙ্কর আঢ্যকে। বর্তমানে তিনি ইডি হেফাজতে রয়েছেন। নিয়ম মেনে স্বাস্থ্যপরীক্ষাও চলছে শঙ্করের। এদিন সিজিও কমপ্লেক্স থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া বি আর সিং হাসপাতালে। হাসপাতালে যাওয়ার পথেই তিনি দাবী করেন যে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।
ইডি সূত্রে খবর, শঙ্কর আঢ্যের কোম্পানি ‘আঢ্য ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড’-এর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা রয়েছে। তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বেশ শোরগোল পড়ে যায়। এই টাকার সঙ্গে রেশন দুর্নীতির যোগ আছে কী না, তা তদন্ত করে দেখছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। সম্প্রতি শঙ্কর আঢ্যের একাধিক দোকানেও ফের তল্লাশি অভিযান করে ইডি। বাড়িতে নগদ টাকা উদ্ধার নিয়ে এর আগে শঙ্কর বলেছিলেন যে এসবই তাঁর ব্যবসার টাকা। বাড়িতে ব্যবসার জন্য নগদ টাকা থাকতেই পারে। তাতে সমস্যা কীসের!






