লোকসভা কক্ষে চলছিল অধিবেশন। সেই সময় তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের মুখে শোনা গেল রাম মন্দির প্রসঙ্গ। তাঁর সেই মন্তব্যে বিরোধীরা বেশ মনঃক্ষুণ্ণও হলেন বটে। এরপরই আবার বিতর্ক শুরু হতেই অন্য সুর শোনা গেল সাংসদের গলায়।
শতাব্দী রায়ের কথায়, তিনি নাকি ছোটো থেকেই রাম ভক্ত। ছোটবেলায় যেদিন থেকে তিনি লিখতে শিখেছেন, সেদিন থেকেই নাকি রামের নাম লিখেই ঘুমোতে যান। ধর্ম, রাজনীতি সব কিছু বোঝার আগে থেকেই তিনি রাম ভক্তি করেন।
কী ঘটেছিল ঘটনাটি?
প্রসঙ্গত, গত ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয়েছে অযোধ্যার রামমন্দিরের। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে রামলালার। এর পরদিনই সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে অযোধ্যার রামমন্দিরের দ্বার। প্রতিদিন এখন মন্দিরে ভক্তদের ঢল উপচে পড়ছে। মন্দিরের বাইরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ভক্তদের রামলালার দর্শন পেতে।
সেই প্রসঙ্গ টেনেই আজ, সোমবার লোকসভায় শতাব্দী রায় বলেন, “মলালাকে যারা আনতে পারছে, তারা মেহুল চোকসিকে আনতে পারছে না”। তাঁর এহেন মন্তব্যে বেশ অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিজেপি সাংসদরা।
পরে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা সাংসদের
এহেন মন্তব্যের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, ““চিরকাল শুনে এসেছি ভগবানা মানুষকে পৃথিবীতে এনেছে। এই প্রথম দেখলাম মানুষ ভগবানকে নিয়ে এল। তাঁরা যদি স্বয়ং রামলালাকে নিয়ে আসতে পারেন, তাহলে সামান্য মেহুল চোকসির মতো লোককে আনতে পারবে না”?
শতাব্দীর ব্যাখ্যা, নিজের এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি কোনওভাবেই রামমন্দিরের বিরোধিতা করেন নি। তাঁর কথায়, “রামের প্রতি আমাদের কোনও অসন্তোষ নেই। আমরা সবাই ঈশ্বর বিশ্বাসী। আমি ছোট থেকেই রাতে বালিশে রাম-সীতার নাম লিখে ঘুমোতে যাই। পরিবারের সবাই এটা করেন”।





