সারাজীবন একা থাকতে কারই বা ভালো লাগে। জীবনে একজন সঙ্গী তো দরকার। কতদিনই বা একা একা জীবন যুদ্ধে লড়াই করা যায়! কখনও সখনও তো মনেও হয়, যদি কেউ সঙ্গে থাকত! জীবনের যে কোনও কঠিন মুহূর্তে যদি কাউকে নিজের পাশে পাওয়া যেত। এমন চাহিদা তো ভুল কিছু নয়। সেই কারণে এবার এক চরম সিদ্ধান্ত নিয়েই নিলেন এক যুবক।
বিয়ের বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে দিনদিন। সমস্ত বন্ধুবান্ধবদের এক এক বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তাঁর জীবনের ‘সিঙ্গল’ তকমা আর ঘুচছে না। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু সকলকেই বলে রেখেছেন তাঁর জন্য একটি পাত্রী খুঁজে দেওয়ার জন্য। কিন্তু কেউই কিছু করতে পারছেন না। নিরুপায় হয়ে শেষমেশ পুলিশের দ্বারস্থ হলেন যুবক।
কে এই যুবক?
জানা গিয়েছে, এই যুবক কেরলের কাডাক্কালেরর বাসিন্দা। নাম অনিল জন। খবরের কাগজ বিলি থেকে শুরু করে ১০০ দিনের কাজ, লটারির টিকিট বিক্রি, এসব করেই জীবিকা নির্বাহ করেন বছর ৩২-এর অনিল। সংসার ভালোমতোই চলে যাচ্ছে। কিন্তু একা একা কী আর সংসার করা যায়। একজন সঙ্গীরও তো দরকার!
বিয়ে করার জন্য কিছুতেই পাত্রী খুঁজে পাচ্ছিলেন না যুবক। পরিবারের সদস্য তো বটেই, যে চার্চে তিনি প্রার্থনা করতে যান, সেখানকার লোকজনকেও বলেছেন যাতে তাঁর জন্য কেউ একজন সুযোগ্যা পাত্রী খুঁজে দিতে পারেন। কিন্তু তা আর হচ্ছেই না। জানা গিয়েছে, যুবকের একটি চোখে সামান্য সমস্যা রয়েছে। সেই কারণে কেউ বিয়ে করতে রাজিই হচ্ছেন না তাঁকে।
পুলিশকে আজব আবদার যুবকের
পাত্রী না খুঁজে পেয়ে শেষমেশ পুলিশের শরণাপন্ন হলেন ওই যুবক। পুলিশের কাছেই আবদার করে বসেন যাতে তারা তাঁর জন্য পাত্রী খুঁজে দেন। এক প্রকার বাধ্য হয়েই যুবকের সেই অভিযোগ গ্রহণ করে পুলিশ। খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় যে সত্যি কথাই বলছেন ওই যুবক।
কিন্তু তাতে পুলিশের কী করার! পুলিশের কাজ তো আর পাত্রী খুঁজে দেওয়া নয়। সেই কারণে ওই যুবককে নিয়ে এক ঘটকের কাছে যান তারা। সেখানেই তাঁর মনের মতো পাত্রীর খোঁজ মেলা সম্ভব। তবে এখনও পর্যন্ত যুবকের জন্য পাত্রী খুঁজে পাওয়া যায়নি বলেই জানা গিয়েছে।





