এবার থেকে বাচ্চারা স্কুলে পৌঁছলেই মা-বাবার ফোনে ঢুকবে এসএমএস, বিশেষ মেশিন বসাল এই সরকারি স্কুল

ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত হতে পারেন না মা-বাবারা। সবসময় চিন্তা লেগেই থাকে যে বাচ্চারা ঠিকঠাক স্কুলে পৌঁছল তো! এবার থেকে আর সেই টেনশন হবে না অভিভাবকদের। এবার থেকে বাচ্চা স্কুলে পা রাখলেই মা-বাবার ফোনে চলে এসএমএস। পড়ুয়া অনুপস্থিত থাকলেও যাবে মেসেজ। দারুণ এক উদ্যোগ চালু করল রাজ্যের এক সরকারি স্কুল।

কোন স্কুলে চালু হল এই ব্যবস্থা?

হুগলি জেলার গোঘাটের দামোদরপুর পশ্চিম মহিতোষ নন্দী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হয়েছে এই বিশেষ উদ্যোগ। স্কুলে এবার বসল বায়োমেট্রিক মেশিন। স্কুলে যে বায়োমেট্রিক মেশিন বসছে, তা আগেই জানা গিয়েছিল। এবার তা বাস্তবায়িত হল।

গতকাল, বুধবার এই ডিজিটাল বায়োমেট্রিক সিস্টেমের উদ্বোধন হল গোঘাটের দামোদরপুর পশ্চিম মহিতোষ নন্দী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের পড়ুয়া, তাদের অভিভাবক ও এলাকার বিশিষ্ট মানুষজন। জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের কাছে থাকা কার্ড মেশিনে ঠেকালেই এসএমএস চলে যাবে অভিভাবকদের কাছে। শুধুমাত্র স্কুলে ঢোকার সময় নয়, স্কুল থেকে বেরোনোর সময়ও এই একই পদ্ধতিতে মেসেজ যাবে মা-বাবার ফোনে।

এই উদ্যোগ নিয়ে কী জানাচ্ছেন অভিভাবকরা? 

স্কুলের এমন এক উদ্যোগে বেজায় খুশি অভিভাবকরা। তাদের কথায়, ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠানোর ক্ষেত্রে তাদের চিন্তা এবার অনেকাংশেই কমবে। এক অভিভাবকের কথায়, “এবার থেকে ওরা স্কুল কামাই করলেই আমরা জানতে পারব। এটা খুবই ভালো বিষয়”। বলে রাখি, হুগলি জেলার আরামবাগ মহকুমার গোঘাটের দামোদরপুর পশ্চিম মহিতোষ নন্দী প্রাথমিক বিদ্যালয়েই প্রথম এই বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালু হল।

এই স্কুল একটি সরকারি স্কুল হলেও, এই স্কুলে এলাকার বিশিষ্ট মানুষেরা পরিকাঠামোগত উন্নতি-সহ নানান বিষয়ে আর্থিক সাহায্য করে থাকেন। বর্তমানে যেখানে পড়ুয়ার অভাবে রাজ্যের একটা বড় অংশের প্রথামিক স্কুল ধুঁকছে, স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, সেখানে দাঁড়িয়ে এই সরকারি স্কুলে এক অন্য ছবি দেখা গেল। প্রতি বছরই আশেপাশের নানান গ্রাম থেকেই পড়ুয়ারা এই স্কুলে ভর্তি হয়। জোরকদমে পড়াশোনা চলে স্কুলে। এবার সেই স্কুলেই এমন নয়া উদ্যোগ নিয়ে জেলার নাগরিক মহলেও বেশ চর্চা চলছে। 

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর