“টিকিয়াপাড়ায় যা ঘটেছে তা পূর্ব পরিকল্পিত। এটা একটা চক্রান্ত।” বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের সমবায়মন্ত্রী অরূপ রায়। তিনি আরও বলেন, “পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দোষীদের খুঁজে বের করার। টিকিয়াপাড়া শান্তিপ্রিয় এলাকা এখানে এধরনের ঘটনা কাম্য নয়।” তিনি জানান, সব স্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। লকডাউন মানতে পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। কাল ওই ঘটনার পর আজ সকাল থেকেই থমথমে হাওড়ার টিকিয়াপাড়া। ফাঁকা রাস্তাঘাট। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
উল্লেখ্য গতকাল হাওড়ায় লকডাউন কার্যকর করতে গিয়ে হাওড়ার টিকিয়াপাড়ার কন্টেইনমেন্ট জোন বেলিলিয়াস রোডে বাধা পায় পুলিস। রমজান মাস চলছে তাই মঙ্গলবার বেলিলিয়াস রোডে বিকেল চারটে নাগাদ একটি বাজারে ফল কিনতে অনেক লোকের জমায়েত হয়। রেড জোন হওয়ায় হাওড়ার ওই এলাকাতেও সম্পূর্ণ ভাবে লকডাউন চলছে। তাই ওই জমায়েত দেখে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় পুলিশ। পুলিশের কথা শোনার বদলে বাজারে ভিড় জমানো জনতা উল্টে ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। পুলিশের ওপর হামলা শুরু করে তারা। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের দুটি গাড়ি।
We are taking strong action against everyone involved in the incident at Tikiapara, Howrah today. The perpetrators will be identified & brought to justice. No transgression of the law anywhere will be tolerated.
— West Bengal Police (@WBPolice) April 28, 2020
পরিস্থিতি সামাল দিতে রাস্তায় নামে ব়্যাফ। প্রথমে ব়্যাফকেও ঘিরে ধরে জনতা। পরে তাড়াও করে। পুলিশকে এক স্থানীয় বাসিন্দা পিছন থেকে লাথিও মারে। সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় সেই ছবি। টিকিয়াপাড়া ঘিরে এখন তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলগুলি পর্যন্ত।
এই ঘটনায় অভিযুক্তদের কড়া শাস্তি দেওয়া হবে বলে রাতেই টুইট করে রাজ্য পুলিশ। রাজ্য পুলিসের করা এই টুইটের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রিটুইট করেন।





