ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম বা ইউএসসিআইআরএফ-এর পেশ করা বার্ষিক রিপোর্টের পর্যবেক্ষণকে খারিজ করল ভারত। নয়াদিল্লির কটাক্ষ, সংস্থার যে বিশেষ প্যানেল রয়েছে তাঁদের মিথ্যে ভাষ্যের মাত্রা এক নতুন উচ্চতায় গিয়ে পৌঁছেছে।
ভারতের তরফে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমরা ইউএসসিআইআরএফ-এর বার্ষিক রিপোর্টে বের হওয়া পর্যবেক্ষণকে খারিজ করছি। ওই রিপোর্ট পক্ষপাতদুষ্ট। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেন, ভারতের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য নতুন নয়। তবে, এবার সেই মিথ্যে বিবরণের মাত্রা নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে।
ইউএসসিআইআরএফ সম্পর্কে বিদেশ মন্ত্রক জানায়, এঁরা নিজেদের কমিশনারদেরও বহণে অক্ষম। ইউএসসিআইআরএফ-কে আমরা এমন এক সংগঠন হিসেবে দেখি যাঁরা শুধুমাত্র একটি বিশেষ সমস্যার প্রতি উদ্বিগ্ন এবং সেই অনুযায়ী তাঁদের সঙ্গে ব্যবহার করি।
প্রসঙ্গত, বিশ্বে সাম্প্রদায়িক স্বাধীনতার ওপর নজর রাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত এই মার্কিন সংস্থা সম্প্রতি তাঁদের রিপোর্টে দিল্লি হিংসা ও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। ওই রিপোর্টে ভারতকে তাঁরা একটি বিশেষ সমস্যার দেশ হিসেবে বর্ণনা করে। পাশাপাশি, ভারত সহ আরও ১৩টি দেশকেও একই তকমা দেওয়া হয় রিপোর্টে।
ইউএসসিআইআরএফ-এর সর্বশেষ রিপোর্টে বলা হয়, ২০১৯ সালে ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার, সাম্প্রদায়িক সহবস্থানের পরিবেশের অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে অবনতি হয়েছে। ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বেড়ে গিয়েছে। গত বছর এই সংস্থাই অভিযোগ করেছিল, সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে কাজে লাগিয়ে দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতাকে খর্ব করার জন্য বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন করছে ভারত সরকার।





