রিল বানাতে গিয়ে ঘটে গেল বড় বিপত্তি। রিল বানানোর সময় বন্দুক থেকে গুলি ছিটকে পড়ল গুলি। আর সেই গুলিতেই মৃত্যু অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়ার। ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের কালিয়াচকে। জানা গিয়েছে সেখানকার শ্রীরামপুরের বাসিন্দা সামিউল ইসলাম। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিল সামিউল ও তার বন্ধু সাফি আলি। বাড়িতে অন্য কেউ ছিল না। দুপুরের দিকে ছাদে যায় তারা। কিছুক্ষণ পরই বিকট এক শব্দে যেন গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে।
সেই শব্দ পেয়ে সামিউলের বাড়িতে যায় প্রতিবেশীরা। সেখানে ঢুকে সামিউলের রক্তাক্ত দেহ দেখতে পান তারা। তার পাশে পড়েছিল একটি আগ্নেয়াস্ত্র। তড়িঘড়ি সামিউলকে নিয়ে স্থানীয় সিলামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
সামিউলের মাথায় বুলেটের আঘাত ছিল। ফলে এই ঘটনা আত্মহত্যা না খুন, তা নিয়ে পুলিশ ধন্দে পড়ে যায়। কালিয়াচক থানার আইসি সুমন রায়চৌধুরীর নেতৃত্বে তদন্ত শুরু হয়। সামিউলের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। সেই ফোন ঘেঁটেই পুলিশ জানতে পারে রিলস বানানোর নেশা ছিল সামিউলের। আর এর জেরেই এই মৃত্যু।
পুলিশ সূত্রে খবর, রিল বানাতে গিয়ে সাফি আলি তার বন্ধু সামিউলের মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ধরে গুলি চালায়। আর সত্যিই বন্দুক থেকে গুলি বেরিয়ে মৃত্যু হয় অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়া সামিউলের। মৃতের বাবা কালিয়াচক থানায় এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনাস্থল থেকে একটি ৭ এমএম দেশি পিস্তল উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাতে গুলি ভরা ছিল। অস্ত্রটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ ইঞ্চি। এছাড়াও রক্তের দাগ-সহ একটি কম্বল, ও মোবাইল মিলেছে। ওই কিশোরদের কাছে কীভাবে এমন অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।





