তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনের (Santanu Sen) মেয়ের ডাক্তারি পড়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdr)। তাঁর দাবী, তৃণমূল সাংসদের মেয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ডাক্তারি (MBBS) পড়ছেন তৃণমূল সাংসদ-কন্যা। এই অভিযোগের জবাবে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন শান্তনু সেন।
গতকাল, রবিবার একটি টুইট করে সুকান্ত দাবী করেন যে নিট (এনইইটি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয়েই ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পেয়েছেন শান্তনুর কন্যা সৌমিলি সেন। তবে কী ভাবে নিট উত্তীর্ণ না হয়েই সৌমিলি ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পেলেন তার কোনও উল্লেখ নেই সুকান্তের টুইটে। তবে সুকান্ত আরও একটি অভিযোগ করেছেন।
সুকান্ত নিজের টুইটে এও অভিযোগ করেন যে ডাক্তারি পড়ার জন্য ভর্তির সময় বাবা শান্তনু সেনের বার্ষিক আয় কম দেখিয়েছেন তাঁর মেয়ে সৌমিলি। এই সংক্রান্ত একটি নথিও টুইট করেছেন তিনি। এই বিষয়ে তিনি এক সংবাদমাধ্যমে জানান, “২০২০ সালে সৌমিলি আরজিকর মেডিক্যাল কলেজকে যে তথ্য দিয়েছেন তাতে বলা রয়েছে বাবার বার্ষিক আয় তিন লাখ টাকা। কিন্তু ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে শান্তনু সেনের বার্ষিক আয় ছিল সাত লাখ টাকার বেশি”। তাঁর প্রশ্ন, “এখন তো একজন সাংসদ হিসাবেও বেতন পান শান্তনু। সেই আয়টাও তো দেখাতে হবে”।
In 2020 Soumili Sen D/o TMC RS MP, Dr. Santanu Sen got admission to MBBS without clearing NEET. She also showed her father's income as a paltry Rs 3 lakh whereas his 2016-17 affidavit shows an income of 7 lakh. Also Add the Salary which an MP gets.
Why this discrepancy ?? pic.twitter.com/1R9E9fdk8g
— Dr. Sukanta Majumdar (@DrSukantaBJP) November 27, 2022
এক সংবাদমাধ্যমে এর জবাবে শান্তনু জানান, “আমার মেয়ে বরাবরই মেধাবী। নিজের মেধার জোরেই ও ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পেয়েছে। সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এটা জানা দরকার যে এনইইটি উত্তীর্ণ না হতে পারলে কেউ ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পায় না”।
Best example of dragging family&kids into the battle,failing to confront politically. She is a meritorious student &even in last University Exam secured Hons. in Biochem.
None can get admission in MBBS without clearing NEET.
Shame on @BJP4Bengal
Be ready for legal consequences https://t.co/5TCP2A2UK7 pic.twitter.com/mXf5PEDVeU— DR SANTANU SEN (@SantanuSenMP) November 27, 2022
শান্তনু আরও জানান, “আমি সব জবাব আইনি পথেই দেব”। সুকান্তর পাল্টা একটি টুইটও করেছেন তিনি। সেখানেও আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন তৃণমূল সাংসদ।





