কী যোগ্যতা সিভিক ভলান্টিয়ারদের? কোন আইন মেনে নিয়োগ হয় তাদের? হলফনামা দিয়ে জানানোর নির্দেশ সুপ্রিমকোর্টের, চাপের মুখে রাজ্য!

আজ, মঙ্গলবার ছিল সুপ্রিমকোর্টে আর জি কর মামলার শুনানি।এদিন চতুর্থ স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশ করে সিবিআই। এদিন প্রথমেই আদালতে ওঠে আর জি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের চার্জশিট দাখিল করার বিষয়টি। সেই চার্জশিটে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ারকেই মূল অভিযুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিন সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হয় চার্জশিটের কপি। এই আর জি কর কাণ্ডে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার ছাড়া আর কেউ জড়িত কী না, তা তদন্ত করে দেখছে সিবিআই। এদিন সিবিআইয়ের আইনজীবী তুষার মেহতা দাবী করেন, আর জি করে গণধর্ষণের তত্ত্ব, বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ক্রমে নস্যাৎ হয়ে যাচ্ছে।

এদিন আদালতে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ নিয়ে আপত্তি তোলেন আইনজীবী করুণা নন্দী। তিনি দাবী করেন, “যে সিভিক নিয়োগের বিরোধিতা আমরা করেছিলাম, রাজ্য তাদের নিয়োগ কার্যত দ্বিগুণ করে দিয়েছে। অথচ হাই কোর্ট এই নিয়োগ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল”। এর পাল্টা দাবী করে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, দেশের সব হাসপাতালে একই নিয়ম মেনে নিয়োগ করা হয়। দিল্লিতে যে নিয়ম মেনে নিয়োগ হয় কলকাতাতেও একই নিয়মে নিয়োগ হয়। 

এরপরই প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় জানতে চান, কোন পদ্ধতিতে সিভিক ভলান্টিয়রদের নিয়োগ করা হয়। সিভিক ভলান্টিয়রদের নিয়োগকারী কে, কোন আইন বলে করা নিয়োগ হয়। এইনি এও জানতে চান, রাজ্যে মোট কত সিভিক ভলান্টিয়র আছে, কোথায় কোথায় তাদের নিয়োগ করা হয়েছে। সিভিক ভলান্টিয়ারদের যোগ্যতা কী, কীভাবে তাঁদের ভেরিফিকেশন করা হচ্ছে এই সমস্ত তথ্য জানিয়ে হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে রাজ্য সরকারকে জানানোর নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত।

এদিন প্রধান বিচারপতি এও নির্দেশ দেন, হাসপাতাল, থানা ও অপরাধস্থলে সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা যাবে না। এও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও স্কুলেও সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা যাবে না। রাজ্য এই নির্দেশ পূরণ করতে কী কী পদক্ষেপ করছে, তাও জানাতে হবে বলে নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত।

RELATED Articles