Suvendu Adhikari about Lakshmir Bhandar: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে রাজনীতির অন্ত নেই। এই প্রকল্পকে সামনে রেখেই যে ভোটের রাজনীতি করতে চাইছে তৃণমূল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মহিলাদের ভোট বাক্সে কব্জা বসানোর এই কৌশল কোনওভাবেই হাতছাড়া করতে নারাজ শাসক শিবির। এবার এই প্রকল্পকে হাতিয়ার করেই প্রচারে নেমেছে বিজেপিও। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে এবার বড় এক ঘোষণা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari about Lakshmir Bhandar)।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচার করে তৃণমূল। রাজ্যে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল সরকার চালু করে এই প্রকল্প। এই প্রকল্পে মহিলারা বর্তমানে মাসে ১০০০ টাকা ভাতা পান আর তফশিলি জাতির মহিলারা পান মাসে ১২০০ টাকা। এবার এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে এক বড় ঘোষণা করতে শোনা গেল শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari about Lakshmir Bhandar)।
ভোটের মুখে নানান প্রান্ত থেকেই খবর আসছে যে তৃণমূল নেতারা ভোটারদের হুমকি দিয়েছেন, তৃণমূলকে ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা আর মিলবে না। সরকারি সুবিধা থেকেও বঞ্চিত করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে ভোটারদের, এমনটাই অভিযোগ। এবার সেই অভিযোগ নিয়েই সরব হলেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari about Lakshmir Bhandar)।
এক নির্বাচনী সভা থেকে শুভেন্দু এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প প্রসঙ্গে (Suvendu Adhikari about Lakshmir Bhandar) বলেন, “এটা সরকারি প্রকল্প। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ঘর থেকে টাকা। পৈতৃক সম্পত্তির টাকা নাকি ওটা, ওটা সরকারি টাকা। এই কর্মসূচি বিজেপির। অসমে হেমন্ত বিশ্বশর্মা দুঃস্থ মহিলাদের ২৫০০ টাকা করে দিচ্ছেন” (Suvendu Adhikari about Lakshmir Bhandar)।
এরপরই বিজেপি সরকারকে বাংলায় ক্ষমতায় আনার কথা বলে শুভেন্দুর প্রতিশ্রুতি (Suvendu Adhikari about Lakshmir Bhandar), “ডবল ইঞ্জিন সরকারটা এনে দিন। সরকারটা বাংলায় করতে দেন। সরকার গঠন হলেই তার পরের মাস থেকে অন্নপূর্ণা যোজনায় প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা পাবেন”।
তবে এসবের মধ্যেও আবার শুরু হয়েছে বিতর্ক। কিছুদিন আগেই কোচবিহারের দিনহাটায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভা চলাকালীন বিজেপির মহিলা মোর্চা নেত্রীকে এক বিস্ফোরক দাবী করেন। তিনি বলেন, “আগামী তিন মাসের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাবে এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। আমরা ভিক্ষা চাই না। আমরা স্বনির্ভর হতে চাই। এই লোকসভা নির্বাচনে ৩৫টি আসন নিয়ে বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় আসলে এই সরকার ২০২৫ সালের মধ্যে পড়ে যাবে”। আর এরই মধ্যে শুভেন্দুর এমন প্রতিশ্রুতি (Suvendu Adhikari about Lakshmir Bhandar)। ফলে একই দলের দুই নেতার মধ্যে দু’ধরণের বক্তব্যের জেরে বেশ শোরগোল শুরু হয়েছে।





