হোটেলে মধুচক্র চলছিল রমরমিয়ে। সেই হোটেলেই অভিযান চালিয়ে চার মহিলা ও ম্যানেজারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশের দাবী, হোটেলে মধুচক্র চালানোর প্রমাণ মিলেছে। এই হোটেলের মালিক এক বিজেপি নেতা যিনি আবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বলে খবর।
ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর খড়গপুর গ্রামীণ থানার অন্তর্গত গোপালী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। সেখানকার একটি লজে মধুচক্র চলছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই গতকাল, বুধবার ওই লজে অভিযান চালায় খড়গপুর গ্রামীণ থানার পুলিশ। সেখান থেকে ম্যানেজার-সহ ৪ মহিলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের সকলের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগণায়।
পুলিশ সূত্রে খবর, এই লজ থেকে সিসিটিভির হার্ডডিস্ক, দুটি ইউপিআই স্ক্যানার উদ্ধার হয়েছে। এই স্ক্যানারের মাধ্যমেই টাকা দেওয়া হত মহিলাদের। এছাড়াও পুলিশ ৩-৪ প্যাকেট কনডম উদ্ধার করেছে লজ থেকে। জানা গিয়েছে, এই লজের মালিক গোপালী গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বিমল দাস ওরফে টিংকু। তিনি আবার শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। এমন ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে আইএনটিটিইউসির জেলার সহ-সভাপতি আইয়ুব আলি বলেন, বিজেপির প্রধান হয়ে কীভাবে এমন ধরনের কাজ করেন। এর পাশাপাশি বিমল দাসকে প্রধান পদ থেকে অপসারণের দাবীও তুলেছে তৃণমূল।
আরও পড়ুনঃ ‘দেশের সবথেকে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর শহর কলকাতা’, তিলোত্তমায় ঘুরতে এসে অপরিচ্ছন্নতার ছবি-ভিডিও দেখিয়ে দাবী পর্যটকের
তবে অন্যদিকে আবার এই ঘটনার পিছনে তৃণমূলের চক্রান্ত দেখছে বিজেপি। এই বিষয়ে বিজেপির জেলার সহ-সভাপতি তপন ভুঁইঞার অভিযোগ, “তৃণমূল চক্রান্ত করে ওই প্রধানকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। ওই পঞ্চায়েতটা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল নিজেদের আনার জন্য বিভিন্নভাবে ওই প্রধানের উপর চাপ সৃষ্টি করছে”।





