‘লোকসভা নির্বাচনের পরই ধপ মমতা সরকার’, রাজ্য সরকার পতনের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু, যা বললেন বিরোধী দলনেতা…

সামনেই লোকসভা নির্বাচন। সমস্ত রাজনৈতিক দলের মধ্যেই এখন প্রস্তুতি তুঙ্গে। কাউকে এক ইঞ্চিও জমি ছেড়ে দিতে রাজি নয় কেউই। লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের একবার মাথাচাড়া দিয়েছে সিএএ ইস্যু। ক’দিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা গিয়েছে, “আবার ক্যা ক্যা শুরু করে দিয়েছে”। এবার তাঁর সেই মন্তব্যের পাল্টা দিয়ে লোকসভা নির্বাচনের পর মমতা সরকার পড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ফেব্রুয়ারি মাসে পশ্চিমবঙ্গের ২ কোটি বাঙালি হিন্দুর ১৯৪৫ সাল থেকে লড়া লড়াই সফল হতে চলেছে’। শুভেন্দুর দাবী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই কারণেই আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন।   

কিন্তু কী কারণে আতঙ্ক?

বিরোধী দলনেতা যুক্তি দিয়ে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় আতঙ্কিত। ভাবছেন, আমার সিটগুলো সব গেল। কারণ, এখানে ৩৫টি আসন (বিজেপি জেতা) মানে, মমতা ধপ! তার পরের দিন বিজেপি সরকার”।

এদিন সাংবাদিকরা শুভেন্দুকে প্রশ্ন করেন যে মুখ্যমন্ত্রী সিএএ নিয়ে এত উদ্বিগ্ন কেন? জবাবে শুভেন্দু বলেন, “আমার কাছে খবর আছে, সিএএ পোর্টাল চালু হতে চলেছে। আইন তো আগেই হয়ে গিয়েছে। রুল ফ্রেম হয়ে গিয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসেই তা কার্যকরের দিকে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক”।

এরপরই তাঁর সংযোজন, “যে বাঙালি হিন্দুরা ধর্মীয় কারণে বাংলাদেশ থেকে উৎপীড়িত হয়ে এসেছেন, এক কাপড়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এসেছেন, তাঁদের সহনাগরিকত্ব দেওয়া নরেন্দ্র মোদীর কমিটমেন্ট। অমিত শাহর তৈরি করা আইন কার্যকর হতে চলেছে”।

বলে রাখি, লোকসভা ভোটের আগে ফের একবার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেছিলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই দেশে সিএএ লাগু হবে। যদিও তা এখনও হয়নি। অন্যদিকে আবার মমতার মন্ত্রী শশী পাঁজা জানিয়ে দেন, সিএএ-র কোনও প্রয়োজন নেই। বাংলায় তা লাগু হবে না।

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

RELATED Articles