উদ্বেগের যেন অন্ত নেই। দেশে করোনার দাপট কিছুটা কমতেই ফের নতুন আতঙ্ক। এবার ক্রমেই উৎকণ্ঠা বাড়াতে শুরু করেছে মাঙ্কি ফিভার। গত ১৫ দিনে কর্ণাটকে এই রোগে সংক্রমিত হয়েছেন একাধিক মানুষ যা বেশ চিন্তা বাড়াচ্ছে সে রাজ্যের সরকারের।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, ক্রমেই কর্নাটকের উত্তরা কান্নাড়া জেলায় বাড়ছে মাঙ্কি ফিভার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত ১৬ জানুয়ারি এই রোগে প্রথম আক্রান্তের হদিশ মিলেছিল। এরপর গত ১৫ দিনে এই রোগে ৩১ জন আক্রান্ত হয়েছে এই জেলায়। এর মধ্যে ১২ জন হাসপাতালে ভর্তি। বাকি চিকিৎসা চলছে বাড়ি থেকেই।
এই মাঙ্কি ফিভার আসলে কী?
চিকিৎসকদের কথায়, আই মাঙ্কি ভাইরাসের সংক্রমণ সাধারণত ছড়িয়ে পড়ে বাঁদরের কামড় থেকেই। মানুষের দেহে সরাসরি বাঁদরের কামড় হোক বা বাঁদরের কামড় বসানো ফল খেলে এই রোগের সংক্রমণ ছড়ায়।
কী কী উপসর্গ রয়েছে এই ফিভারের?
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, এই মাঙ্কি ফিভারে আক্রান্ত হলে তিন থেকে পাঁচ দিন অতিরিক্ত জ্বর থাকে। এছাড়াও থাকে গা-হাতে ব্যথা, মাথাব্যথা, সর্দি-কাশি। এর সঙ্গে চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গও দেখা যায়।
উত্তরা কান্নাড়া জেলায় যেভাবে দিনদিন এই মাঙ্কি ফিভারের সংক্রমণের মাত্রা বেড়েই চলেছে, তাতে এই নিয়ে তৎপর সেখানের প্রশাসন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই রোগের সম্পর্কে জনসচেতনতা গড়ে তুলছেন স্বাস্থ্য কর্মীরা। যারা জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় থাকেন, তাদের বাঁদরের থেকে দূরে থাকার ব্যাপারে সতর্ক করা হচ্ছে। কারোর মধ্যে যদি মাঙ্কি ফিভারের কোনও উপসর্গ দেখা যায়, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে তাদের।
সে রাজ্যের নানান হাসপাতালেও মাঙ্কি ফিভার আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ তৎপরতা দেখা গিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিকারিকরা গ্রাম সভা ও গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে এই রোগের বিষয়ে বৈঠক করছেন।





