ভাঙড়ে তৃণমূল (TMC) ও আইএসএফ (ISF) কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আজ, শনিবার দুর্গাপুরে বিজেপির কার্যকারিণী বৈঠকে এই নিয়ে কথা বলেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, “নওশাদ ভাইদের ঠিক করতে হবে তারা তৃণমূলকে সরাতে চান নাকি বিজেপির বিরোধিতা করতে চান? দুটো একসঙ্গে হবে না”।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নওশাদ ভাই আমাদের সম্মানীয় বিধায়ক এবং ফুরফুরা শরিফের সম্মানীয় পরিবারের সদস্য তিনি। আমাদের ব্যক্তিগত উৎকণ্ঠা রয়েছে। আমি বিরোধী দলনেতা হিসাবে খোঁজ খবরও নেব। বিধানসভায় বিরোধীদের যখন সময় দেওয়া হয় পুরো সময়টাই ভারতীয় জনতা পার্টি ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু আমাদের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা বিজেপি ছাড়া বিধানসভায় একমাত্র বিরোধী সদস্য নওশাদ ভাইকে বলার সুযোগ দেন”।
শুভেন্দুর কথায়, “নওশাদ ভাই সহ পশ্চিমবঙ্গে এই ব্যবস্থার যারা প্রকৃত পরিবর্তন করতে চান, তারা বিজেপির বিরোধিতা করে তৃণমূলকে সরাতে পারবেন না। আগে ঠিক করতে হবে পশ্চিমবঙ্গে সময়ের ডাক ও বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প কী? মানুষ আমাদের ২ কোটি ২৮ লক্ষ ভোট দিয়ে বিরোধী করেছে। স্বাধীনতার পরে এই প্রথম বিধানসভায় কংগ্রেস-সিপিএমের কোনও প্রতিনিধিত্ব নেই”।
বলে রাখি, আজ, শনিবার দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য লেদার কমপ্লেক্স থানা এলাকার হাতিশালা থেজে কলকাতার ধর্মতলার দিকে যাচ্ছিলেন আইএসএফ কর্মী-সমর্থকরা। অভিযোগ, এই সময় তাদের সব গাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূল। গাড়ি থামিয়ে পতাকা বাঁধতে গেলে তাতে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা বাধা দেয়।
প্রবল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। দু’পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বেঁধে যায় হাতাহাতি-ধ্বস্তাধস্তি। এলোপাথাড়ি চলে বোমাবাজি। এর জেরে দু’পক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হয়। আইএসএফের তরফে স্থানীয় তৃণমূল কার্যালয়ে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ ঘাসফুল শিবিরের। তৃণমূলের দাবী, নওশাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।





