বাংলাদেশে অশান্তি এখনও থামে নি। প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। কিন্তু এখনও ওপার বাংলায় জারি হিংসা। বঙ্গবন্ধুর মূর্তি তো ভাঙা হয়েছিলই, এখন আবার ভাঙা হচ্ছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিও। এই ঘটনায় ব্যথিত রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনায় প্রবল তোপ দাগেন তিনি।
বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে বলতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে যারা রাষ্ট্রবাদের পক্ষে, ভারতীয় সংস্কৃতির পক্ষে যারা ১৫ অগাস্ট জাতীয় পতাকা তোলা আর জাতীয় সংগীত গাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন অথচ তৃণমূলকে ভোট দেন, তারা দয়া করে একটু সজাগ হন”।
বাংলার মানুষকে সতর্কবার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমরা গণভবনের যে দৃশ্য ভিডিওতে দেখেছি, লুটেরাদের দৃশ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি পরাজিত হওয়ার পরে আমরা এই মডেল দেখেছিলাম। তাই পশ্চিমবঙ্গে যারা এখনও ভাবছেন, ভাতা তো পাই, আমার কী? তাদের বলব ৩১ সালের জন্য প্রস্তুত হন, যদি আপনারা এখনও সজাগ না হন আরেকটা সুরাবর্দির হাতে এই বাংলাও যাবে”।
রবীন্দ্রনাথের মূর্তি ভাঙার ঘটনায় কষ্ট পেয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে বলতে গিয়ে বিজেপি নেতা বলেন, “আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে, যে আমরা নানা ভাষা, নানা মত, নানা পরিধান…. ধর্ম আলাদা হলেও কিছু বিষয়ে আমাদের অবিভক্ত বঙ্গের একটা মেলবন্ধন ছিল। তার মধ্যে কবিগুরুর সম্ভারটাও অন্যতম। সেই সম্ভার আজকে আক্রান্ত হয়েছে। আমরা দেখছি, জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিও ওখানে ভেঙে ফেলা হয়েছে। সেখানে সব কিছুই নিশ্চিহ্ন করা হচ্ছে। এর শেষ তো আছে। এর আগেও তো আমরা এর ইতিহাস দেখেছি”।
বিরোধী দলনেতার কথায়, “নিউটন বলে গিয়েছেন, প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীতর্ধমী প্রতিক্রিয়া রয়েছে। ২২ শ্রাবণ বিশ্বকবির মূর্তিকে বিকৃত করা হচ্ছে ভেঙে ফেলা হচ্ছে, তাঁকে অসম্মান করা হচ্ছে। আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে”।





