ছাত্রনেতা আনিস খানের খুনে পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার পর বেশ কিছুদিন কেটে গেলেও অভিযুক্তরা এখনও অধরা। সময় যত এগোচ্ছে, নানান বিরোধী দলগুলি ততই সুর চড়াচ্ছে। সিপিএম, কংগ্রেস তো বটেই, বিজেপির তরফেও সুর চওড়া করা হয়েছে।
বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ আগেই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী জানিয়েছেন। এবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন। তাঁর কথায়, “তৃণমূলের গুন্ডা ও পুলিশ, দুইয়ে মিলেই আনিসকে খুন করেছে”।
গতকাল, সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে জানান যে আনিসকাণ্ডে নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সিট গঠন করা হবে। সেই অনুযায়ী তদন্ত শুরু করেছে সিট। এদিকে হাওড়া গ্রামীণ পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা আনিসের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। তা নিয়েও কটাক্ষ শানাতে ছাড়েন নি শুভেন্দু অধিকারী।
গতকাল, সোমবার নদিয়াতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “আনিস খানকে পুলিশ এবং তৃণমূলের গুন্ডারা খুন করেছে। পুলিশ মাথায় বাড়ি মেরে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দিয়েছে। এখানে রাজ্য প্রশাসন আদৌ কিছু করবে”।
এর পাশাপাশি আরও একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ শানান তিনি। নন্দীগ্রামের বিধায়কের কথায়, “রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কণ্ঠরোধ করে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। অপরাধ একটাই, আমি মুখ্যমন্ত্রীকে হারিয়েছি। বাংলাদেশের শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে প্রচার করতে দেন। কিন্তু এখানে পিসি বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করে রাখার চেষ্টা করেন”।





