নিয়োগ দুর্নীতির জেরে এখন বিদ্ধ রাজ্য সরকার। তৃণমূলের (TMC) একাধিক নেতা-মন্ত্রী এখন হেফাজতে রয়েছে। এই নিয়ে বিরোধীরা ক্রমেই আক্রমণের সুর চড়াচ্ছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। বাদ যান নি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari)। গতকাল, রবিবার যাদবপুরের বিজয়গড়ে কালীপুজোর (Kali Puja) উদ্বোধনে গিয়ে শুভেন্দু বলেন যে আগামী ডিসেম্বরেই তৃণমূল সরকার পড়ে যাবে। কিন্তু কেন এমন কথা বললেন তিনি?
যাদবপুরে বিজেপির এক নম্বর মণ্ডল আয়োজিত কালীপুজোর উদ্বোধন করে নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “কালীপুজোয় মায়ের কাছে অনুরোধ করব ২০২৩ সালে যেন আমরা চোরমুক্ত বাংলা দেখতে পাই। দেখুন না কী হয়! ডিসেম্বর মাসেই এই সরকার ল্যাম্পপোস্ট হয়ে যাবে”। এবার প্রশ্ন উঠছে যে একটা সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারকে কীভাবে ফেলে দেওয়া সম্ভব? আরও বিধায়ক বা মন্ত্রী কী তবে জেলে যাবেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আর্থিক দেউলিয়া সরকার ঘোষণা করা হতে পারে। আর ঋণ নিতে পারবে না এই সরকার। এর জেরে বেশ চাপের মুখে পড়বে তৃণমূল। আর এর ফলে শুভেন্দুর লেম অ্যান্ড ডাক কথাটি সত্যি হবে।
এর ফলে এই সরকারকে ফেলে দেওয়া সহজ হবে। এদিকে, কেন্দ্র সরকার রাজ্যের অনেক কোটি টাকা বকেয়া রেখে দিয়েছে। এর জন্য নবান্ন তদ্বির করছে। বিজেপির কয়েকজনই মাত্র এই পরিকল্পনার কথা জানেন। এই কারণেই হয়ত শুভেন্দু বলেছেন যে এই ডিসেম্বরেই এই সরকার ল্যাম্পপোস্ট হয়ে যাবে। এবার দেখার সেই জল্পনা সত্যি হয় কী না!
প্রসঙ্গত, ইজেডসিসিতে বিজেপির প্রদেশ মোর্চার বৈঠকে শুভেন্দু বলেছিলেন, “ইডির রিপোর্ট রাজ্যের নেতাদের দুর্নীতি স্পষ্ট। দুর্গাপুজোর আগে ১ কুইন্টালরা জেলে গিয়েছে। কালীপুজোর আগে ১ কুইন্টালের নীচে যারা তারা জেলে গিয়েছে। দেওয়ালির পর সব যাবে। জামাই পালিয়েছে আমেরিকা। শালীকেও আমেরিকা যেতে হবে। যদিও সেই আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে। এইসব চোরেদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে”।





