বিগত কয়েকদিন ধরেই যেন অগ্নিগর্ভ হয়ে রয়েছে সন্দেশখালি। বঙ্গ রাজনীতিতে তুমুল প্রভাব পড়েছে এই ঘটনার। সেখানে জ্বলছে পোল্ট্রি ফার্ম, বাগানবাড়ি। শ্লী’ল’তা’হা’নি, শা’রী’রি’ক অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছেন মহিলারা তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের সাগরেদ উত্তম, শিবুদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় এবার রাজভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি।
এখনও ফেরার শেখ শাহজাহান। তাঁর সাগরেদদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছেন সন্দেশখালির মহিলারা। তাদের গ্রেফতারির অভিযোগ উঠেছে। সেখানে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। বিজেপির প্রতিনিধি দলও সন্দেশখালিতে পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখ পড়ে। শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, শাহজাহানদের খুঁজে পাওয়া যায় না, কিন্তু সাধারণ মানুষ আন্দোলন করলে, গণতন্ত্রের কথা বললে তাদের ভোররাতেই গ্রেফতার করা হয়।
এদিন তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, “জনগণের মানবাধিকারকে, জনগণের রোষকে কোনওভাবেই পদদলিত করতে বিজেপি দেবে না। আমাদের মহিলা মোর্চা, যুব মোর্চা পথে নামতে চলেছে। ভারতীয় জনতা পার্টির বিধায়করা সোমবার বিধানসভায় জড়ো হয়ে ১৪৪ ভাঙার জন্য সন্দেশখালি যাব”।
বিজেপির অভিযোগ, পুলিশ সাধারণ মানুষের আন্দোলনকে রুখতে চাইছে। আসল অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারছে না পুলিশ। তাই, সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারী এও দাবী করেন, সন্দেশখালিতে তৃণমূলের লোকেরা মহিলাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতি যাতে রাজ্যপাল নিজে গিয়ে দেখে আসেন, তেমনই দাবী তুললেন শুভেন্দু। সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবী করে বিজেপি। সেই কারণেই এই রাজভবন অভিযান গেরুয়া শিবিরের।
সন্দেশখালি ইস্যুতে রাজভবনের সামনে ধর্নার পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। শুভেন্দুর কথায়, “আমরা রাজ্যপালকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে গেলাম। কালকের মধ্যে যদি শান্তি ফিরিয়ে না আনা হয় তাহলে সোমবার ১৪৪ ভাঙব। কত ক্ষমতা আছে আমাদের গ্রেফতার করুন। কত ক্ষমতা আছে আমরা দেখতে চাই”।





