বাঙালি মানেই মিষ্টিপ্রেমী। বাংলার মিষ্টি নামকরা। আর তা যদি হয় রসগোল্লা, তাহলে তো আর কোনও কথাই নেই। কিন্তু মূল্যবৃদ্ধির বাজারে মিষ্টির দামও বেড়েছে। তবে তিন টাকায় যদি মেলে গরম গরম রসগোল্লা, তাহলে কেমন হয়? হ্যাঁ, তিন টাকায় রসগোল্লা বিক্রি করে মিষ্টিপ্রেমীদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছেন হাওড়ার তপন সামন্ত।
গতকাল, সোমবার ছিল বিশ্ব রসগোল্লা দিবস। এদিন সকাল থেকেই বাগনানের হরিনারায়ণপুর বাজারের তপনবাবুর মিষ্টির দোকানের বাইরে পড়েছিল লম্বা লাইন। কেন? তপন ময়রার দোকানে মেলে তিন টাকার রসগোল্লা। শুধু রসগোল্লাই নয়, পান্তুয়া, ল্যাংচাও থাকে সেখানে। সবকিছুর দাম একই।
দুধ, চিনির দাম বৃদ্ধি হওয়ার জেরে মিষ্টির দামও বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এত কম দামে মিষ্টি বিক্রি করছেন তপনবাবু। তাতে কী আদৌ তাঁর লাভ হয়? তপনবাবুর কথায়, হ্যাঁ, লাভ মোটামুটি হয় বৈ কী!
কিন্তু কীভাবে লাভ করেন এত কম টাকায় মিষ্টি বেচে? তপনবাবুর কথায়, “ এই দোকানে আমি কারিগর, একাই সেলসম্যান। একাই সমস্ত দিক সামলাই। তাই বাড়তি খরচ নেই। সেখান থেকেই উঠে আসে লাভের পরিমাণ”।
তপনবাবুর এই মিষ্টির দোকান দীর্ঘদিনের। সন্ধ্যে হলেই তাঁর দোকানে ভিড় জমান মিষ্টিপ্রেমীরা। কম দামে ভালো মিষ্টি খাওয়ার জন্য একবার ঢুঁ মারা যেতেই পারে তপন ময়রার দোকানে।





