শিক্ষক আমাদের জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মা-বাবার পর শিক্ষক-শিক্ষিকাদের থেকেই শিক্ষা পায় মানুষ। সেই কারণে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দ্বিতীয় অভিভাবকও বলা হয়ে থাকে। কিন্তু সেই শিক্ষকই যদি নরপিশাচের মতো ব্যবহার করেন, তাহলে?
মা-বাবা কোচিংয়ে নিজের সন্তানকে পড়তে পাঠান যাতে তারা পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হতে পারে। সেই জায়গাকে নিরাপদ বলেই মনে করেন তারা। কিন্তু সেই কোচিং সেন্টারই নাবালিকার জন্য হয়ে উঠল নরক। সেই কোচিং সেন্টারেই পাশবিক অত্যাচারের শিকার সেই ছাত্রী। আর সেই নরখাদক হলেন খোদ শিক্ষক। ছাত্রীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল পিতৃসম শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এমন জঘন্য ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুরে। জানা গিয়েছে, বারুইপুর স্টেশন সংলগ্ন রেল কোয়ার্টারে এক কোচিং সেন্টার চালান এক গৃহশিক্ষক। সেখানেই পড়তে যেত এক নাবালিকা। কোচিং সেন্টারের মধ্যেই ওই নাবালিকাকে দিনের পর দিন ধরে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ, ওই নাবালিকার উপর মানসিক চাপ তৈরি করতেন শিক্ষক। বাবা-মাকে এই বিষয়ে জানালেন প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিতেন ওই শিক্ষক নাবালিকাকে। প্রথমে সেই কারণে সে কিছুই জানাতে পারে নি বাড়িতে। তবে তার আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করে মা-বাবা তাকে প্রশ্ন করেন। সেই সময় মা-বাবাকে সব কথা খুলে জানায় ওই নাবালিকা।
মেয়ের থেকে এমন কথা শোনার পরই বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নাবালিকার মা-বাবা। নাবালিকা ধীরে ধীরে মানসিক অবসাদে চলে যায় বলে খবর। তার কাউন্সেলিং করাতে হয়েছে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ, ওই কোচিং সেন্টারে একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে এমন ন্যক্কারজনক কাজ করেছেন ওই শিক্ষক।





“আগে হিন্দু, তারপর বাঙালি…যে রক্ষা আমাদের রক্ষা করবে, আমি তাদের দলে” “আমি হিন্দুস্থান চাই” বাংলায় পদ্মফুলের উত্থানেই খুশি অভিজিৎ ভট্টাচার্য! বিজেপির সাফল্যের পর খুললেন মুখ! গায়কের মন্তব্যে তোলপাড় নেটদুনিয়া!